কেরানীগঞ্জে খাবার বেকারি ও ফার্নিচার কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রনে

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর আদাবর ও কেরানীগঞ্জে পৃথক দু’টি স্থানে ন্যাশনাল ফুড নামে একটি বেকারী ও কিউট ফার্নিচার নামক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে।
পৃথক দু’টি স্থানে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মোহাম্মদপুর থেকে দুইটি ইউনিট, পোস্তগোলা ও কেরানীগঞ্জ থেকে দুটি ইউনিট সহ মোট ৬টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আজ সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় আগুন সম্পূর্ণ ভাবে নির্বাপন করতে সক্ষম হয়। তবে, পৃথক দু’টি স্থানে আগুনে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার মো: শাহাদাৎ হোসেন আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বুধবার দিবাগত রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর আদাবর থানার ১৪ নম্বর কাঁচাবাজারের ন্যাশনাল ফুড নামে একটি বেকারিতে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থেকে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য কাজ শুরু করে। পরে রাত ১২টা ৩৫ মিনিটের সময় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। পরবর্তীতে দমকল বাহিনীর সদস্যরা ওই রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় আগুন সম্পূর্ণ ভাবে নির্বাপন করতে সক্ষম হয়।
বৈদুতিক যোগযোগ থেকে আগুনে সূত্রপাত বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচেছ। অগ্নিকান্ডের ফলে ওই বেকারীর রুটি তৈরীর যন্ত্রনাংশ, খাবার, ও বিভিন্ন মালামাল ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল আর্থিক ভাবে ক্ষতি সহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করেছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটিরত কর্মকর্তা মো: শাহাদাৎ হোসেন আরও জানান, বুধবার দিবাগত রাত ৪টা ৪৫ মিনিটের সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে কিউট ফার্নিচার নামক একটি কারখানায় আগুন লাগে। পরে আগুনের সংবাদ পেয়ে পোস্তগোলা থেকে ২টি ও কেরানীগঞ্জ থেকে আরও ২টি ইউনিটসহ মোট মোট ৪টি ইউনিট এক সাথে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করে। পরে ওই আগুন ভোর রাত ৫টা ২৬ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়। পরবর্তীতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপন করে দমকল বাহিনী।
ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা জানান, বৈদুতিক যোগযোগ থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্র বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচেছ। অগ্নিকান্ডের কারণে ওই ফার্নিচার কারখানার মেশিনপত্র, কাঁঠ ও স্টিলের তৈরী ফার্নিচারসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে গেছে। এতে করে প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। এসময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করেছে। তবে, এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।