রাজধানীতে পৃথক দু’টি স্থানে অগ্নিকান্ড : ৬ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : রাজধানীর খিলক্ষেত কুর্মিটোলা হাই স্কুল এন্ড কলেজের স্টোর রুম ও উত্তর বাড্ডা সাতারকুল এলাকায় একটি স-মিলে অঅগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

অগ্নিকান্ডে আসবারপত্র,চট,কার্পেট,ও অন্যান্য মালামালসহ প্রায় ৬ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।তবে, এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।
আজ ও বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খিলক্ষেত ও উত্তর বাড্ডা এলাকায় এসব অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২৬ মিনিটের সময় ওই স্কুলের ৫ম তলা ভবনের ৫ম তলা ছাদে স্টোর রুমে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
কুর্মিটোলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোঃ সফিকুল ইসলাম জানান, আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ২৬ মিনিটের সময় ওই স্কুলের ৫ম তলা ভবনের ৫ম তলা ছাদে স্টোর রুমে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, রাজধানীর খিলক্ষেত থানার কুর্মিটোলা হাই স্কুল এন্ড কলেজের ৫ম তলা ভবনের ৫ম তলার ছাদে একটি স্টোর রুম রয়েছে। সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়। পরে আগুনের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে কুর্মিটোলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দু’টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় আধা ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নির্বাপণ করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা আরও জানান, অগ্নিকান্ডের কারণে ওই স্টোর রুমের কার্পেট, চটসহ অন্যান্য মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঈদগাহ মাঠের কাজে ব্যবহৃত কার্পেট, চট ইত্যাদি মালামাল স্টোরে সংরক্ষিত ছিল। প্রাথমিক ভাবে আগুনের কারণ জানা যায়নি। তবে, এঘটনায় কেউ হতাহতও হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতার কারণে স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল আগুনে ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
এবিষয়ে কুর্মিটোলা হাই স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন মাতাব্বর স্কুলের স্টোর রুমে আগুন লাগার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি জানান, স্কুল মাঠে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ওয়াজ মাহফিল ছিল। ওয়াজে মশার কয়েল ব্যবহার করা হয়। ওয়াজ শেষে চট ও কার্পেট ওই স্কুল ভবনের স্টোরে রুমে নিয়ে রাখা হয়। ধারনা করা হচেছ, মশার কয়েলের টুকরা থেকে এ অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হতে পারে।
এদিকে, আজ শুক্রবার ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার লিমা খানম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১১ টা ৫৫ মিনিটের সময় রাজধানীর উত্তর বাড্ডা সাতারকুল এলাকায় একটি স-মিলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। পরে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে বারিধারা ও তেজগাঁও থেকে মোট ৪টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করে। পরে রাত ১টার দিকে ওই আগুন পুরোপুরি ভাবে নির্বাপন করা হয়।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি লিডার মোহাম্মদ জানান, উত্তর বাড্ডা সাতারকুল জিএম বাড়ি রোড এলাকায় একটি কাঠের স-মিলে এ আগুন লাগে । সেখানে চারটি ইউনিট কাজ করে। বৈদুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচেছ। অগ্নিকান্ডে ৫ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
তবে, এতে হতা্হতের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।