সিনেমা জাতি গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে : তথ্যমন্ত্রী

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : সিনেমা জাতি গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ এমপি।

তিনি বলেন,সিনেমা জাতি গঠনের ক্ষেত্রে অনেকটাই অবদান রাখে।আগামী দিনে বাংলাদেশের চলচিত্রকে বিশ্ব অংগনে একটি স্থান তৈরী করে নিতে পারবে বলে আমরা আশাবাদি।
তিনি শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে নয়টায় রাজধানীর খিলক্ষেত নিকুঞ্জ লা- মেরিডিয়ান হোটেল বল রুমে অনুষ্ঠিত চলচিত্র তারকা অনন্ত জলিল অভিনীত দু’টি চলচিত্র শিল্পী এগ্রিমেন্ট শো অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মুনমুন ফিল্ম লিমিটেড এবং বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড ওনার অফ লা-মেরিডিয়ার ঢাকা এর মধ্যে অনুষ্টিত চলচিত্র তারকা অনন্ত জলিল অভিনীত দু’টি চলচিত্র দি ডে-”দিন” ও দি লিডার ”নেতা” এর বাংলাদেশ ভারত,ইরান ও তুরস্কের শিল্পী এগ্রিমেন্ট অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্টানে তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ বলেন, একটি সিনেমা হলের জন্য পাচ কোটি টাকা সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে। কেউ যদি দু’টি হল করেন তার জন্য দশ কোটি টাকা পাবেন।সিনেমা বানালে কমপক্ষে দলটি হলে চলতে হবে। বন্ধ সিনেমা হল পূনরায় চালু করা, হল পূরন:নির্মান ও আধুনিকায়ন করা। বাংলাদেশের চলচিত্র অবিষ্যতে বিশ্বে বড় ধরনের বাজারে আসার সম্ভাবনা তৈরী করবে।
সিনেমা জীবনের কথা বলে। সিনেমা সম-সাময়িক কালকে ও সংরক্ষণ করে। সিনেমা ইতিহাসকে সংরক্ষণ করে। সিনেমা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা ইতোমধ্যে অনেক গুলো পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। দেশে সিনেমার দূর দিন বিগত বিশ বছর ধরে চলছে।প্রনোদনা প্যাকেট হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচিত্রকে বাচিয়ে রাখার জন্য এক বাজার কোটি টাকা ইতোমধ্যে বরাদ্ধ দিয়েছে। বাংলাদেশের চলচিত্র জগতকে আরো আধূনিকায়ন করার লক্ষে সরকার এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। প্রনোদনা প্যাকেট হিসেবে এটা করা হয়েছে।
অনুষ্টানে অন্যান্যেদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চলচিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক কাজী হায়াত, গাজী মাজাহারুল আনোয়ার, মোহাম্মদ সাজ্জাদ, মোহাম্মদ নওশাদ প্রমুখ।এসময় বাংলাদেশ,ভারত, তুর্কি ও ইরানের অভিনেতা, অভিনেত্রী, ডিরেক্টর,কলাকৌশলী,প্রযোজকসহ সংশ্লিষ্টরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। পরে এক মনোজ্ঞ জমকাল সাংস্কৃতিক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।
এছাড়া অনুষ্টানটি পরিচালনা করেন দেবাশীষ বিশ্বাস।