ভীড় বাড়ছে খেজুর মুড়ির দোকানে, লেবুর হালি ৮০ টাকা

 এম এ হানিফ রানা(গাজীপুর)ঃআসন্ন মাহে রমজান। মুসলমানদের সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান। আশা করাা হচ্ছে বালাদেশে ১৪ এপ্রিল প্রথম রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

 

সারাদিন রোজা রাখার পর মাগরিবের আযানের মাধ্যমে ইফতারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় একটি রোজা।

ইফতারিতে সাধ্যমতো রকমারি আয়োজনের শেষ প্রস্তুতি চলছে এখন।গাজীপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যাচ্ছে মুড়ি, বুট,খেজুর,গুড়,মিস্টির দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পরা ভীড়।

মুড়ি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, খেজুরের দাম একেক জায়গায় একেক রকম, দু’শত টাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে । অপর দিকে বাজার চড়া প্রতিটি পন্যের। করোনার জন্য দেয়া স্বাস্থ্যবিধি তেমন মানা হচ্ছে না বললেই চলে। নেই সামাজিক দূরত্ব। ঠাসাঠাসি অবস্থা বাজার গুলোতে।তেমনি ভাবে কাচা বাজারেও আগুন। সারাদিন রোজা রাখার পরে গুড় আর লেবুর শরবত না যেন চলেই না।

এই সুযোগে লেবুর হালি আকাশ ছোয়া। সকালে দাম থাকে আকাশচুম্বী। ছেট সাইজের লেবু ৪০-৫০ টাকা হালিতে বিক্রি হলেও একটু বড় সাইজের লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা দরে।

বেগুনও বসে নেই। কাঁচামরিচের দাম কিছুটা সহনীয় মাএায় থাকলেও নিত্য পন্য অনেক কাঁচামালের দামই চড়া।

সয়াবিন এক লিটার বোতল একেক কোম্পানির একেক দাম থাকলেও খোলা প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে আগত কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান, অনান্য দেশে রমজান আসলে প্রতিটা বাজারে পন্যের দাম কমানোর প্রতিযোগিতা চললেও বাংলাদেশের অবস্থা সম্পুর্ন ভিন্ন। এখানে প্রতিযোগিতা চলে কে কার থেকে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে।

মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কাছে যেনো সাধারণ মানুষ জিম্মি। ঠিক মতো বাজার মনিটরিং হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের। বর্তমানে লকডাউনের সময় যেখানে মানুষের দিন পার করাই কস্ট সেখানেও বাজার চড়া।

ক্রেতারা বলেন যদি পন্যের দাম সঠিক ভাবে মনিটরিং করা হয় এবং সকলেই যেনো স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাফেরা করেন।