বিমানবন্দরে ম্যাগজিন ভর্তি গুলিসহ চিকিৎসক দম্পতি আটক

এস,এম,মনির হোসেন জীবন : হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে এক চিকিৎসক দম্পতিকে ম্যাগজিন ভর্তি গুলিসহ আটক করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। পরে তাদেরকে জিঞ্জাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে থানায় সোপর্দ করা হয়। আটককৃতরা হচেছ-মুশায়েত রহমান ও তানজাহা মাহিনুর।

এসময় তাদের কাছে একটি ম্যাগজিন ও ৫ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে এ ঘটনাটি ঘটে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে বিমানবন্দর জোনের পুলিশের (এডিসি) তাপন কুমান দাস আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাজধানীর আদাবরে অবস্থিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন। বর্তমানে তারা ঢাকার সোবানবাগ কলাবাগ এলাকায় বসবাস করে আসছিল। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে বলে জানা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল নয়টার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে করে এই চিকিৎসক দম্পতি ঢাকা থেকে যশোর যাওয়ার কথা ছিল।
এদিকে, বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বি এম ফরমান আলী আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, আজ সকালে ওই ডাক্তার দম্পতির ঢাকা হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে যশোর যাওয়ার কথা ছিল।

বিমানবন্দরের ভেতরে গেইটে স্কেনিং ও তল্লাশীকালে একজনের কাছে একটি ম্যাগজিন ও ৫ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। এসময় তারা অস্ত্রটি বৈধ বলে দাবি করে। পরে ওই দম্পতিকে সিভিল এভিয়েশন ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জিঞ্জাসাবাদ শেষে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তন করে।
এডিসি তাপস কুমার দাস আরও জানান, আটক হওয়া অস্ত্রটির বৈধ কোন কাগতপত্র আছে কিনা তা যাচাই বাছাই করা হচেছ। এবিষয়ে তারা কাগতপএ ও সঠিক জবাব না দিতে পারলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
ওসি আরও জানান, ওই চিকিৎসক দম্পতি তার আটক হওয়া অস্ত্রটির বৈধ লাইসেন্স আছে বলে দাবি করেছেন। অস্ত্রসহ প্লেনে উঠতে হলে নিয়ম অনুযায়ী ঘোষণা না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা বলেছেন, খেয়াল ছিল না।বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচেছ। আজ দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এ দম্পতি্ থানা হেফাজতে ছিল।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন তৌহিদ উল-আহসান সাংবাদিকদের জানান, এক দম্পতি যশোর যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে আসেন। সাধারণত অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন করলে বিমানবন্দরে প্রবেশের আগেই ঘোষণা দিতে হয়। কিন্তু তারা ঘোষণা দেননি। স্ক্যানিংয়ে তাদের ব্যাগে গুলি ধরা পড়ে। পরে তাদেরকে থানায় সোপর্দ করা হয়।