বিমানবন্দরে শিশু আহাদ হত্যার রহস্য উদঘাটন ঃ মুল আসামী রুবেল গ্রেফতার

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ঃরাজধানীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় দশ বছরের শিশু আহাদ হত্যার রহস্য গত ২৪ ঘনটায় উদঘাটন করে মুল আসামী মোহাম্মদ আলী (রুবেল) (২৫) কে গ্রেফতার করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।

পরে আসামীর (তার) স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতেই ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ইট (হত্যায় ব্যবহৃত) আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
ডিএমপি বিমানবন্দর জোনের পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) তাপস কুমার দাস আজ সোমবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান,গত রোববার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮ টার দিকে বিমানবন্দর থানার বলাকা ভবনের বিপরীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে ডাম্পিং এলাকায় রাখা লোহার পাত এবং ফুটপাতের বাউন্ডারীর মাঝখানে ঘাস ও লতাপাতা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় আহাদ (১০) নামক শিশুর লাশ পাওয়া যায়।

জানা যায়, আহাদ বিমানবন্দর রেলষ্টেশন এলাকায় ভাসমান হিসেবে শাকিল (৩০) নামক একজন হকারের সাথে ৪/৫ বছর ধরে ছিলো। শাকিল বিমানবন্দর থানায় বাদী হয়ে গতকাল রোববার দুপুরে অজ্ঞাত আসামীর বিরুদ্ধে হত্যা করে লাশ গুম করার অপরাধে একটি মামলা দায়ের করেন (বিমানবন্দর থানার মামলা নং-১২ তারিখ-২৫/০৪/২০২১ ইং)।

এডিসি আরও জানান, বিমানবন্দর থানা পুলিশ হত্যার রহস্য উন্মোচনে সকাল থেকেই তৎপর থেকে বিকালে মোহাম্মদ আলী (রুবেল) (২৫) কে গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতেই ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা ইট (হত্যায় ব্যবহৃত) আলামত হিসেবে জব্দ করে।

আসামীর স্বীকারোক্তি থেকে জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল ২০২১ ইং দিবাগত রাতে সে নেশায় আসক্ত হয়ে আহাদকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে যায়। সেখানে এক পর্যায়ে আহাদকে বলাৎকার করার চেষ্টা করলে আহাদ তাকে বাধা দেয়, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় একটি ইট দিয়ে আহাদের মাথায় একাধিকবার আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই আহাদের মৃত্যু হয়।

এরপর সে ওই নিজ’ন জায়গায় লোহার পাতের নিচের গর্তে আহাদকে ফেলে লতাপাতা ও আর্বজনা দিয়ে লাশটিকে ঢেকে রেখে মোহাম্মদ আলী পালিয়ে যায়।
তাপস কুমার দাস বলেন, ইতিমধ্যে আসামী ১৬৪ স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা স্বীকারও করেছেন।
এবিষয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং-১২ তারিখ-২৫/০৪/২০২১ ইং)।