দক্ষিনখান বাসী নিরবে কেঁদেই চলেছেন

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠুঃ  নবগঠিত ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশনের দক্ষিনখানের বাসিন্দারা নিরবে কেঁদেই চলেছেন বছরের পর বছর।সামান্য বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় ঘরবাড়ি।একেতো রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা অপরদিকে বৃষ্টি। এ যেন মরার উপর খরার ঘা।বিশেষ করে সিএনজি পাম্প থেকে মাটির

মসজিদ,চৈতিরমোড়,ফায়দাবাদ,চুয়ারিরটেক,জয়নাল মার্কেট,দেওয়ানপাড়া,কোটবাড়ির কিছু অংশ,মুক্তিযোদ্ধারোড,গাওয়াইর মাদ্রাসা রোড,আশকোনা বাজার এলাকা সহ দক্ষিনখানের অধিকাংশ এলাকই সামান্য বৃষ্টিতে তলিয়ে যায়।চালাবন হাজীপাড়া নিবাসি ব্যবসায়ী এনামুল বলেন দোকানের মালপত্র বৃষ্টির পানি ডুকে নষ্ট হয়েগেছে।একেতো করোনা তার উপর এই ক্ষতি কি ভাবে পোসাবো।

এ ছড়া ইজ্ঞিনিয়ার যুবরাজ বলেন সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এই সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকাবাসীর মতে বড় আকারে ড্রেনেজ ব্যাবস্থা করে তুরাগ নদীর সাথে সংযোগ করে দিলে খুব দ্রুত পানি সরেযেত।আর এই ধরনের সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া যেত।সকাল থেকে অনেক অফিসগামী পথচারীকে দুইসেট জামা কাপড় নিয়ে বের হতে দেখা যায়। কারণ জানতে চাইলে বলেন নিজের অবস্থান থেকে বিবেচনা করুন।

এ ব্যাপারে ৪৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার মোতালেব মিয়ার সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন মেয়র মহোদ্বয়ের সাথে কথা বলেছি তিনি বলেছেন সামনে নতুন এলাকার কাজ হাতে নিবেন। তিনি বলেন সমস্যা কবলিত এলাকায় জুন-জুলাই সুয়ারেজের কাজ ধরার সম্ববনা রয়েছে। ৫ ফিটের পাইপ সুয়ারেজ লাইন টানা হবে। কাজ করানো হবে বাংলাদেশ সেনাবাহীনির ইজ্ঞিনিয়ার কোরের মাধ্যমে।

এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তার তালিকা তৈরী করে তা সিটি কর্পোরেশনে জমা দেওয়া হয়েছে যা শুধু মাত্র কাজের অপেক্ষায় রযেছে।তিনি আরো বলেন আমার নির্বাচনি এলাকায় ওয়াসার পানি সংকট ছিলো তা নিরসনে এলাকা ভিত্তিক জনসংখা বিবেচনা করে পাইপ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছি। কিছু দিনের মধ্যে মানুষ এর সুফল ভোগ করবেন।

৫০ নং ওয়ার্ড কমিশনার ডি এম শামীমের সাথে ফোনে কথা হলে তিনি প্রতিবেদক জানান । শামীম সাহেবের সাথে আলাপ চারিতায় তিনি অত্যান্ত সুন্দর ভাবে সমস্য গুলোর সমাধান কল্পে করনীয় কি তা তুলে ধরেন। শামীম জানান, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর আমার নির্বাচনীএলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছি।

আমাদের কোন ফান্ড নাই।জনবল কম নিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছি।জলাবদ্বতা ও রাস্তা-ঘাট নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন আমার ব্যাক্তিগত ফান্ড থেকে আমি আনেক রাস্তাঘাট মেরামত করেছি।অনেক রাস্তার পাস দিয়ে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে সুয়ারেজের ব্যাবস্থা করেছি।বর্তমানে সিটিকর্পোরেশণ কিছু কাজ হাতে নিয়েছিলেন করোনার কারনে কাজ গুলো পিছিয়ে পড়েছে।কাউন্সিলর শামীম আরো জানান, সুযারেজের কাজ শুরু হবে খুব শিঘ্রই।এ ছাড়া ও তিনি প্রতিদিন নির্বাচনী এলাকার অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের সাহায্য করে থাকেন বলেও তিনি ব্যাক্ত করেন।