সাভারে কোরবানির গরুর হাটে শীর্ষে ৩৫ মণের নয়া রাজা

মোঃ রিপন মিয়া (স্টাফ রিপোর্টার)ঃ
সাভারের আশুলিয়ায় ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে অগ্রানিক পদ্ধতিতে নিজস্ব খামারে উৎপাদিত বীজ থেকে ফ্রিজিয়ান জাতের গরু নয়া রাজাকে কোরবানীর জন্য তৈরি করা হয়ছে।

খামারী আবুল হোসেন শখের বসে এই গরুটির নাম রেখেছেন নয়া রাজা। চোখে মুখে ভালো লাভের স্বপ্ন থাকলেও মনে রয়েছে করোনার আতঙ্ক।

৩৫ মণের অধিক এই নয়া রাজার বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করেছেন পনেরো লাখের উপরে। স্বপ্ন বিলাশী খামারী আবুল এমনই স্বপ্ন দেখেছেন নয়া রাজাকে নিয়ে। এই নয়া রাজা কি পারবে খামারী আবুলের স্বপ্ন পুরণ করতে।

খামারী আবুল হোসেন বলেন,দক্ষিণ গাজীরচট এলাকায় আয়শা এ্যাগ্রো নামে ১৬ বছর আগে একটি গরুর খামার তৈরি করে থাকি। ২০১৫ সালে এসে প্রথম সাভারের কোরবানীর গরুর হাটে মহারাজা নামের গরুটি বিক্রি করি বারো লাখ টাকায়। তারই বংশধর ৩৫ মণের অধিক ওজনের অধিকারী নয়া রাজা। ৬২টি ষাড়ের মধ্যে সেই মহারাজাকে হার মানিয়ে নয়া রাজাকে নিয়ে আবার সাভারের বাজারে শ্রেষ্ঠ খামারী হওয়ার আশা করি।

পরিচর্চাকারীরা জানায়, আমরা তিন বেলা নয়া রাজাকে গোসল দিয়ে পুষ্টিকর প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে থাকি।খাবারের তালিকায় থাকে কাঁচা ঘাস, ভূসি,খড়,এবং ৬ লিটার দুধ।

এবিষয়ে সাভার উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ সাজেদুল ইসলাম বলেন, সাভার উপজলোয় মোট ছোট বড় মিলিয়ে ৬৫০০টি গরুর খামারে দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার গরু রয়েছে। আমরা নিয়মিত এই খামারের খোজ খবর নিয়ে থাকি।