ক্লু’লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনঃ একজন গ্রেফতার

মোঃ সুমন পাটোয়ারী (গাজীপুর)ঃ গাজীপুরের কাশিমপুরে চাঞ্চল্যকর ক্লু’লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের পর আসামীকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর মহানগর পুলিশ(উত্তর)।
গত ১৫ জুলাই ২০২১ ইং তারিখ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কাশিমপুর থানার দক্ষিণ পানিশাইল পদ্মা হাউজিং প্রকল্পের এ ব্লকের, ১-নং রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ির নির্মানাধীন ভবনের ৩য় তলার বাথরুমের ভিতর

বাড়ির মালিক আমনিুল ইসলাম খন্দকার বাবুল(৬০)র গলাকাটা মৃতদহে পাওয়া যায়। কাশিমপুর থানা পুলিশের উক্ত মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
এবষিয়ে ১৬জুলাই ২০২১ইং তারিখ কাশিমপুর থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলা নং-১০।

মামলা রুজু হওয়ার পর অপরাধ বিভাগ উত্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হাসান এর তত্বাবধানে তথ্য প্রযুক্তি ও ম্যানুয়েল ইন্টিলিজেন্স এর সহায়তায়

অপরাধ (উত্তর)বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রেজওয়ান আহমেদ এর নেতৃত্ত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোনাবাড়ী জোন), সুভাশীষ ধর এর অংশগ্রহনে কাশিমপুর থানার একাধিক টিম কাশিমপুর আশুলয়িা থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় সম্পৃক্ত হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ(৩৮)কে গ্রেফতার করা হয়। সোহাগ নীলফামারী জেলার সদর থানার র্পূব কুখাপাড়া গ্রামের মোঃ নজরুল হোসেনের ছেলে।
কাশিমপুর থানার দক্ষিণ পানিশাইল পদ্মা হাউজিং প্রকল্পের সাদেক এর বাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে ঐ বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতো এমনটি জানিয়েছেন পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে গ্রেফতারকৃত এই হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার ঘটনা স্বীকার করে সে এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো ছুররি অংশ বের করে দেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা য়ায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত জানায়, গত ১৩ জুলাই ২০২১ ইং তারিখ রাত অনুমানকি ৮ টার সময় জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ নিহত আমিনুল ইসলাম খন্দকার বাবুল(৬০)র নির্মানাধীন ৫ম তলা ভবনের ৩য় তলায় উঠে তাকে ফোন করে বলে আপনার নির্মানাধীন ভবনে ২/৩ জন লোক উঠেছে।

ভিকটিম আমনিুল ইসলাম খন্দকার বাবুল তখন উপরে উঠে মোবাইল টর্সের আলোতে লোক খুঁজতে থাকে কাউকে না পেয়ে ৩য় তলায় ঘটনাস্থল কক্ষে চেক করার সময় পিছন থেকে জাহাঙ্গীর তার মুখ চেপে ধরে ২০ (বিশ হাজার টাকা দাবি করে।
ভিকটিম টাকা দিতে অস্বীকার করলে জাহাঙ্গীরের নিকট থাকা ধারালো গার্মেন্টেসের কার্টিং ছুরি গলায় ধরে ভয় দেখায়। তখন তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয় একর্পযায়ে জাহাঙ্গীরের হাতে সামান্য কেটে ও ছিলে যায়।
এবং আমিনূল বাচার জন্য গ্রেফতারকৃতের ডান হাতের আঙ্গুলে কামড় দিলে জাহাঙ্গীর ভিকটিমের গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করলে
সেখানেই তার মৃত্যু হয়।ভিকটিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার পাঞ্জাবীর পকেটে থাকা ৯ শত ৯৭ টাকা নিয়ে নেয় এবং ভিকটিমের মৃতদেহ বাথরুমের ভিতর রেখে দরজা বন্দ করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন কাশিমপুর থানার অফিসার  ইনচার্জ মাহবুবে খোদা।