উত্তরখান হযরত শাহ কবির (রহ) এর মাজার-মসজিদ উন্নয়নের অগ্রদূত এনামুল হাসান খাঁন শহীদ (সি আই পি)

মোহাম্মাদ মাছুম মিয়া: রাজধানীর উত্তরখানে অবস্থিত হযরত শাহ কবির (রহ) এর মাজার-মসজিদটি প্রায় ৪শত বছর পুরানো ।

ঐতিহ্যবাহী এই মাজার শরীফটিকে ঘিরেই উত্তরখান এলাকাটির উন্নতিকরণ হলেও মুল মাজারটি ছিল জরাজীর্ণ অবস্থায়। লক্ষ লক্ষ ভক্তের আগমনে মুখরিত ছিল উত্তরখান মাজার এলাকা । কিন্তু লুটেরাদের রোষানলে পরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি হযরত শাহ কবির (রহ) এর মাজার শরিফ তথা মাজারের মূল ভূ-খন্ডে। মাজারের সম্পত্তিটি ওয়াকফ এস্টেট এর হলেও ভক্তদের চাহিদা অনুযায়ী কোন প্রকার উন্নয়নই হয়নি মাজার-মসজিদের। বরং একটি স্বার্থান্বেষী মহল মাজার-মসজিদকে পূঁজি করে নিজেদের পকেট ভারী করেছেন । এখানে ছিল না আয়-ব্যায়ের কোন সঠিক হিসেব নিকেষ, ছিল না প্রশাসনের কোন তদারকী । যে মাজার শরীফকে নিয়ে উত্তরখান নামক স্থানটি উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়েছে সেই মাজার শরীফের বেহাল দশা দেখে উন্নয়নের অগ্রদূত হিসেবে আবির্ভাব হয়েছেন নিঃস্বার্থ সমাজসেবি, এলাকার উন্নয়ের অগ্রদূত গণমানুষের আস্থাভাজন ব্যক্তিত্ব এনামুল হাসান খাঁন শহীদ । যিনি হযরত শাহ্ কবির (রহ) এর বংশধর এবং দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান প্রমি গ্রুপ এর চেয়ারম্যান ।

 

বর্তমানে মাজার শরীফ ও মসজিদটি দৃষ্টি নন্দন স্থাপনায় পরিণত হয়েছে, যেখানে এক সাথে কয়েক হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন। এনামুল হাসান খাঁন শহীদের তত্বাবধানে মাত্র এক বছরে মাজার শরীফ, মসজিদ, মাদ্রাসা,কবরস্থান, ভক্তদের বিশ্রামাগার, আশেকানদের বসার স্থান , পুলিশ বক্স, ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক লাইব্রেরি , পাবলিক টয়লেট, ঢালাই রাস্তা, দৃষ্টিনন্দন পুকুর, অতি আকর্ষনীয় ৩টি গেইট সহ আরও অনেক কিছু মুখরিত করে তুলেছে মাজার প্রাঙ্গনকে। যেখানে একটি সময় মাদকের হাট এবং অসামাজিকতায় ব্যাস্ত থাকত সেখানে এখন অলিভক্তদের মাহফিল বসে এবং বিভিন্ন গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিদের প্রতিদিন আনাগোনা থাকে । জিকিরে জিকিরে মুখরিত হয় পুরো এলাকাটি ।

 

অলিভক্তদের প্রতিদিনের থাকা-খাওয়ার সুব্যাবস্থাও হয় এখানেই । উন্নয়নের ছোঁয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে । যা একমাত্র দানবীর এনামুল হাসান খান শহীদ’র অবাদনেই সম্ভব হয়েছে।