নিয়ম মেনে অনুমতি ছাড়াই ওড়ানো যাবে ড্রোন

পাঁচ কেজি কম ওজনের অথবা ১০০ ফুটের কম উচ্চতায় উড্ডয়ন সক্ষম ড্রোন কোনো প্রকার অনুমতি ছাড়াই বিনোদন হিসেবে গ্রিন জোনে ওড়ানো যাবে।তবে পাঁচ কেজির বেশি ওজনের অথবা ১০০ ফুটের বেশি উচ্চতায় উড্ডয়ন সক্ষম ড্রোন ওড়াতে হলে বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এসএসসি বা সমমানের হতে হবে। ড্রোন তৈরি এবং সংযোজন, নিবন্ধন ও চালকের প্রত্যয়নের বিষয়সহ অঅনুমোদিতভাবে ড্রোন পরিচালনা করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মফিদুর রহমানের একান্ত সচিব ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সময়ে যে সকল প্রযুক্তি জনগণের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে তার মধ্যে কম্পিউটার ও মোবাইলের পরই আরেকটি প্রযুক্তি হলো ড্রোন। সাম্প্রতিক সময়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ব্যবসা বাণিজ্য ও চিত্তবিনোদনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে বাংলাদেশেও ব্যক্তিগত, সরকারি, বেসরকারি, সামরিক ও বেসামরিক পর্যায়ে ড্রোনের ক্রমাগত ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছি। সম্প্রতি ড্রোন নিবন্ধন ও উড্ডয়ন নীতিমালা-২০২০ প্রণীত হয়।

এ নীতিমালা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মফিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এক ভার্চুয়াল ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ড্রোনের বিষয়ে নির্দেশনা দেন বেবিচকের ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড রেগুলেশন অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন ইমরানুর রহমান।

উড্ডয়নের অনুমতি প্রদানের ভিত্তিতে ড্রোনকে চারটি শ্রেণিতে এবং ড্রোন উড্ডয়নের এলাকা বা জোনকে গ্রিন, ইয়েলো ও রেড এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

বিভিন্ন সংরক্ষিত এলাকা, সামরিক এলাকা, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকাকে ইয়েলো জোন ধরা হয়।এছাড়াও নিষিদ্ধ এলাকা, বিপজ্জনক এলাকা, বিমানবন্দর এলাকা, কেপিআই ইত্যাদিকে রেড জোন হিসেবে ধরা হয়।

এই দুই ধরনের জোন বাদে সব জোনকে গ্রিন জোন ধরা হয়। গ্রিন জোনে যে কেউ অনুমতি ছাড়া ১০০ ফুটের মধ্যে ড্রোন ওড়াতে পারবেন।

তবে ড্রোন যদি ১০০ ফুটের বেশি উড্ডয়ন করাতে হয়, সেক্ষেত্রে বেবিচক থেকে অনুমতি নিতে হবে।

সূত্রঃ জাগো নিউজ।