৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যের হেরোইনসহ গ্রেফতার-২

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ঃরাজধানীর শ্যামলী এলাকা থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যের

৩১৬ গ্রাম হেরোইনসহ আন্তঃ জেলা মাদক কারবারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে – মোঃ শহীদ (৪৫) ও মোঃ ইন্নাফাজেল মাসুদ (২৫)।
এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়।

আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১ টার দিকে
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী (মিরপুর রোড) এলাকার আল আমিন আপন হাইটস এর সামনে পাকা রাস্তার উপর চেকপোষ্ট স্থাপন করে তাদের আটক করা হয়।

এদিকে,র‌্যাব-২ এর এএসপি (মিডিয়া) আবদুল্লাহ আল মামুন আজ মঙ্গলবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিওিতে র‌্যাব-২ এর একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, মাদক ব্যবসায়ীদের একটি চক্রের কতিপয় সদস্য মাদকের একটি বড় চালান সীমান্ত এলাকা থেকে ট্রাকে যোগে সাভার হয়ে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে আসছে। পরে এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-২ এর সদস্যরা মাদকের এ বড় চালানটি আটক করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে এবং চালানটির গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে।

আজ মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১ টার দিকে
র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার শ্যামলী (মিরপুর রোড) এলাকার আল আমিন আপন হাইটস এর সামনে পাকা রাস্তার উপর বিশেষ চেকপোষ্ট স্থাপন করে আন্তঃ জেলা মাদক কারবারী চক্রের দুই সদস্যকে একটি ট্রাকসহ আটক করে।

এএসপি আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, মাদকসহ আটককৃতরা হচ্ছে – মোঃ শহীদ (৪৫),পিতা- মৃত আব্দুল মজিদ, জেলা- রাজশাহী ও মোঃ ইন্নাফাজেল মাসুদ(২৫) পিতা- মোঃ শফিকুল ইসলাম, জেলা- রাজশাহী।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে হেরোইনের চালান সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে তারা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে গাড়িতে হেরোইন আছে বলে স্বীকার করে।
পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে গাড়ির চালকের সিটের পিছনে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৩৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ৩১৬ গ্রাম হেরোইন পাওয়া যায়। পরে তাদের দুই জনকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক বহন করে নিয়ে আসে এবং তা রাজধানীর বিভিন্ন মাদক কারবারীদের নিকট হস্তান্তর করে।

এছাড়া তাদের অন্যান্য সহযোগীরা অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে হেরোইন দেশে নিয়ে আসে এবং আইন-শৃংখলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে পৌঁছানোর জন্য পণ্যবাহী গাড়ী ব্যবহারের কৌশল অবলম্বন করে থাকে বলে জানায়।

এবিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।