শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে: আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম

এস, এম, মনির হোসেন জীবন ॥ তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই হচ্ছে যুবলীগের প্রাণ। তারা জীবন দিয়ে সকল প্রতিকূলতা, ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দলকে টিকিয়ে রেখেছে এবং দলকে শক্তিশালী করে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

একারণেই দেশবিরোধীদের কোনো অপচেষ্টা কখনো সফল হয়নি। তৃণমূল শক্তিশালী হলে যুবলীগ শক্তিশালী হবে। দেশ এগিয়ে যাবে। এর কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

আজ সোমবার সকালে রাজধানী তুরাগে  এস এম. মনির হোসেন জীবনের নেয়া এক বিশেষ সাক্ষাতকারে তুরাগের ৫৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাথী’ আলহাজ্ব মো, রফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

হরিরামপুর ইউনিয়ন সাবেক ৫ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আলহাজ রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার কর্মীরা কখনো দলের প্রশ্নে, নীতির প্রশ্নে, আদর্শের প্রশ্নে কারো সঙ্গে আপোষ করেনি।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ, আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এগিয়ে যান, আর তিনি এগিয়ে গেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়।

জানা গেছে, রাজধানীর তুরাগ থানার সাবেক ৫ নং ওয়ার্ড বর্তমানে ডিএনসিসি ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড শুক্রভাংগা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা আলহাজ্ব মো, লাল চান মিয়ার ছেলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে আগমন ঘটে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০০৬ সালে বৃহত্তর উত্তরা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হরিরামপুর ইউনিয়র পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্বা মো: আবুল হাসিম এর হাত ধরে এবং তার ছেলে মহিবুল হাসানের সহযোগিতায় আমি যুবলীগের সদস্য নির্বাচিত হই। এর পর আমাকে একজন তৃণমূল নেতা ও দলীয় ভাবে কাজের পারফরমেন্স দেখে যুবলীগ আমাকে মূল্যায়ন করে । পরবতী’তে ২০০৬ সালের পর আমি সাবেক ৫ নং ওয়াড’ যুবলীগের প্রচার সম্পাদক করা হয়। তার পর আমি সভাপতি হয়ে এরপর থেকে উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে অদ্যবধি পর্যন্ত দলের জন্য জীবন বাজী রেখে কাজ করছি।

আগামী দিনে দলকে শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করে যুবলীগের এই পরীক্ষিত নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, যতই বাধা আসুক না কেন ? আগামী দিন গুলোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগ শক্তিশালী করার জন্য তুরাগ থানার প্রত্যেকটি ওয়ার্ডকে সাথে নিয়ে কাজ করে যাবো।

আমার পরিবার হল রাজনৈতিদক দলের পরিবার উল্লেখ করে যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, পুরানো দিনের দলের অনেক ত্যাগী নেতা চুপচাপ বসে আছে। তাদের মধ্যে অনেকে পদ পায়নি, আজকে দল ক্ষতায় আসলে ও নব্য ও হাইব্রিড নেতারা পদে পদে সয়লাব হয়ে গেছে। সেই দিন কোথায় ছিলেন দলের হাইব্রিড ও নভ্য আওয়ামীলীগ নেতারা। সেই দিন তো আমার আওয়ামীলীগের দু:সময়ে বিপদের সময় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাহলে কি দলের ত্যাগী নেতাদের কি কোন মূল্যায়ন থাকবেনা ?। তাহলে তারা কি কোন পদ পদবী পাবেন না?

তিনি আরও বলেন, একটি সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য যত ধরনের ত্যাগ আর পরিশ্রম করার দরকার ছিল সেটি আমি করে যাচিছ। বিভিন্ন সময় গরিব-দুঃখীদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশনায়, যুবলীগ চেয়ারম্যান, সাংগঠনিক দিক থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে যুবলীগকে এগিয়ে নিয়ে যাচেছন। একই সাথে যিবলীগ নেতা মাইনুল ইসলাম খান নিখিল ও মো: ইসমাইল হোসেন ভাইয়ের নেতৃত্বে আমি যুবলীগ করছি।

তিনি বলেন, দলের পরীক্ষিত,ত্যাগী তৃণমূল পর্যায়ের পদ-পদবী প্রাপ্ত যুবলীগ নেতারা দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছেন। দলকে শক্তিশালী করার লক্ষে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচেছন। আগামী দিনের দলের পরিক্ষিত নেতাদেরকে অবশ্যই দল মূল্যায়ন করবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলীয় কর্মকান্ড, নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও দলের পারফর্ম দিয়ে একজন দলের কর্মী কিংবা নেতাকে মনে রাখতে হবে তার আগামী দিনের পথচলা। নিজের যোগ্যতা আর রাজনৈতিক অঅভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে একজন সৎ ও ত্যাগী নেতা তৈরী করা।

রফিকুল ইসলাম বলেন, দলের একজন স্বচছ রাজনীতিক কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকরা আগামী দিনে দলের পরিক্ষিত নেতাদেরকে বেছে নিবেন।

রাজনীতি করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিযোগিতা থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দলের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করছি।