শারজাহে নিখোঁজ দুই কাজাখ বোনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।২০ ও ২২ বছর বয়সী ওই দুই বোন এক বছরেরও কম সময় আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসে বসবাস ও কাজ শুরু করেছিলেন।নিখোঁজের অভিযোগ পাওয়ার পর শারজাহ পুলিশ তদন্ত ও অনুসন্ধান শুরু করে। পরে একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে দাবি করা হয়েছিল, দুই বোনের সঙ্গে এক রুশভাষী কাজাখ ব্যক্তির যোগাযোগ ছিল এবং তিনি তাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টও মুছে ফেলা হয়েছিল বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শারজাহ পুলিশ।গত ২৮ আগস্ট দুই বোনের মরদেহ কাজাখস্তানে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় কাজাখ কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করেছে শারজাহ পুলিশ।নজর বিডি | Nazar BDসংযুক্ত আরব আমিরাত
অনলাইন জরিপ
অভিযানে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫-এর ৬(২) ধারা লঙ্ঘন করে যানবাহনে অনুমোদিত শব্দমাত্রার অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করায় চারটি ট্রাক ও দুটি বাসের চালক/প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়। একই সঙ্গে আটটি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।এ ছাড়া নির্মাণসামগ্রী অনাবৃত অবস্থায় পরিবহনের দায়ে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী আরও ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।মোবাইল কোর্টে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দ্র। প্রসিকিউশন পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ।অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।অভিযানকালে শব্দদূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনে শব্দদূষণবিরোধী স্টিকারও সাঁটানো হয়।পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবু সাঈদ জানান, জনস্বার্থে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মো. মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে ভূমিকা রাখছেন তুরাগ থানা ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের রানাভোলা ইউনিট বিএনপির সভাপতি এবং তুরাগ থানা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সভাপতি মো. ইমন হোসেন মনির।বিএনপির দুঃসময়ে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরে ইমন হোসেন মনির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয়েছে। ওই সময়ে কোনো সভা-সমাবেশে অংশ নেওয়ার পর নিরাপদে ঘরে ফেরার নিশ্চয়তা ছিল না। অনেক নেতাকর্মী সভা-সমাবেশে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।তিনি বলেন, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি কোনো সভা-সমাবেশ বা মিছিল বাদ দেননি। বরাবরই সামনের সারিতে থেকে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মৃত্যুকে কখনো ভয় করেননি। বিএনপির কর্মসূচিতে অংশ নিলে মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে—এটা জেনেও কোনো ধরনের ভয় না করে রাজপথে থেকেছেন এবং প্রতিটি সভা-সমাবেশ সফল করতে ভূমিকা রেখেছেন।ইমন হোসেন মনির বলেন, “আমি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত বিএনপি কর্মী হিসেবে গড়ে তুলেছি। আমার রাজনৈতিক অভিভাবক হাজী মো. মোস্তফা জামান ভাইয়ের হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা। যতদিন রাজনীতি করব, ততদিন তার পাশে থেকে, তার হাত ধরেই রাজনীতি করে যাব—ইনশাআল্লাহ।”নিজের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও জানতে ‘ঢাকা উত্তর বিএনপি সমর্থক’ নামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডিটি অনুসরণ করার আহ্বান জানান তিনি। সেখানে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি ও ভিডিও রয়েছে বলেও জানান ইমন হোসেন মনির।
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনাজপুর জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি চলছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন। ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন কার্যালয় এলাকায় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে।প্রার্থীরা নিজ নিজ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করছেন। এ সময় প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে ইউনিয়ন কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোন্নাফ মুকুল বলেন, “দিনাজপুর মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে না।”তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী বিধিমালা অনুসরণ করে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমাদানের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সকল প্রার্থী ও ভোটারের সহযোগিতায় একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা করেন তিনি।
আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে খুলনার ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজ মোড়লের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি'র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরহাদ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোল্লা মশিউর রহমান।প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরহাদ হোসেন বলেন, "আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি আজ যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সুসংগঠিত। নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে জনগণ বিএনপির সঙ্গেই রয়েছে। পহেলা সেপ্টেম্বরের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে আমরা সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও জনগণকে একসূত্রে গাঁথতে চাই।"প্রধান বক্তা মোল্লা মশিউর রহমান বলেন, "যুবদল সর্বদা রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে। পহেলা সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে যুবদল ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি নেতাকর্মী সুশৃঙ্খল ও ঐক্যবদ্ধভাবে সব ধরনের সাংগঠনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে।"সভাপতির বক্তব্যে আব্দুল আজিজ মোড়ল বলেন, "তৃণমূল পর্যায় থেকে দলকে শক্তিশালী করে পহেলা সেপ্টেম্বরের প্রতিটি কর্মসূচিকে বর্ণাঢ্য ও সাফল্যমণ্ডিত করতে সদর ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মী প্রস্তুত রয়েছে।"সভায় অন্যান্যের মধ্যে শেখ ফরিদ হোসেন, হাফেজ মতিউর রহমান, মোল্লা মনিরুল ইসলাম, ওলিয়ার রহমান খান, নজরুল ইসলাম হালদার, সোরাব হোসেন, শেখ আব্দুল খালেকসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষান্তে উপস্থিত সব নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সকল কর্মসূচি সফল করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে সব মাইন বিস্ফোরিত করে ধ্বংস অথবা সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, নতুন করে কোনো জাহাজ বা নৌযান থেকে মাইন পাতা হলে সেটি ধ্বংস করা হবে।মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্স হরমুজ প্রণালির ‘প্রতিটি বর্গইঞ্চি’ পর্যবেক্ষণ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে মাইন পাতা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর রয়েছে বলেও জানান তিনি।হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক বাহিনী পরস্পরের ওপর বিমান হামলা না চালালেও প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ঘিরে হামলা ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশই কৌশলগত এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ভর্টেক্সার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই পরিমাণ ছিল দৈনিক ২ কোটি ব্যারেলেরও বেশি। অর্থাৎ বর্তমানে বৈশ্বিকভাবে ব্যবহৃত প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে প্রায় এক ব্যারেলের সমপরিমাণ তেল এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন হচ্ছে।হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স) জাওয়াদ আজাউই এবং সিনিয়র পলিটিক্যাল অ্যাডভাইজার লুবাইন চৌধুরী মাসুম উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহযোগিতায় নেদারল্যান্ডস সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত সংসদে বিরোধী দলের গঠনমূলক ও ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগের পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।সাক্ষাৎ শেষে ডা. শফিকুর রহমান রাষ্ট্রদূতকে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন গ্রাফিতি ঘুরে দেখান।এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।