ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও খাল পুনঃখনন কার্যক্রমসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আজ শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টার পর তিনি সড়ক পথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। সফরসূচি অনুযায়ী, আজ দিনভর তিনি কুমিল্লা ও চাঁদপুরে বিভিন্ন পথসভা, উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি থেকে জানা যায়, চাঁদপুর যাওয়ার পথে বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার বরুড়ার লক্ষ্মীপুর বাজার মাঠে আয়োজিত একটি পথসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজার এলাকায় ‘খোর্দ্দ খাল’ পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। পরবর্তীতে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ মাহমুদপুর ইউনিয়নের কুমারডুগী গ্রামের ঘোষের হাট সংলগ্ন ‘বিশ্ব খাল’ পুনঃখনন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেটিও উদ্বোধন করবেন তিনি।দুপুর আড়াইটায় চাঁদপুর সার্কিট হাউসে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার কথা রয়েছে। বিরতি শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন তিনি।উন্নয়নমূলক ও সরকারি কর্মসূচি শেষে বিকেল ৫টায় চাঁদপুর ক্লাবে আয়োজিত জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে এই সাংগঠনিক সভা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পুনরায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার মধ্য দিয়ে তার এই সফর সমাপ্ত হবে।
অনলাইন জরিপ
জাগপা সভাপতি ও সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান অভিযোগ করে বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর যাদের সঙ্গে রাজপথে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছি, তারাই আজ ক্ষমতায় গিয়ে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে।শুক্রবার (১৫ মে) বিকেলে পঞ্চগড় শহরে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের কথা স্মরণ করে জাগপা সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে আমাদের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল। অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হচ্ছে, আজ ক্ষমতার পরিবর্তনের পরও একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।ক্ষমতা যে চিরস্থায়ী নয়, সে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,"যাঁদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা আজ রাজনীতি করছি, সেই রক্তের সঙ্গে যেন বেইমানি না করি। ক্ষমতায় গিয়ে স্বৈরাচারী আচরণ করলে আপনাদের পরিণতিও কিন্তু আওয়ামী লীগের মতোই হবে।"তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। জনগণের এই রায়ের সঙ্গে যেন কোনো ধরনের তামাশা করা না হয়।প্রতিবেশী দেশের প্রসঙ্গ টেনে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান বলেন, "পাশের দেশে উগ্রবাদীরা আমাদের ভাই-বোনদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। যেকোনো সময় পুশইন বা সীমান্ত হত্যার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তাই আপনারা সর্বদা জাগ্রত ও সতর্ক থাকবেন।" জাগপা সবসময়ই সীমান্ত হত্যা ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে বলে তিনি মনে করিয়ে দেন।জোট রাজনীতির বিশ্বস্ততা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "জামায়াত তার শরিকদের সঙ্গে বেঈমানি করেনি, সবসময় মূল্যায়ন করেছে। আমাদের ১১ দল ক্ষমতায় গেলে কখনো এমন স্বার্থপর আচরণ করবে না। আমরা একসঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব; জোটসঙ্গীদের অফিসে গিয়ে হামলা করব না।"দলীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আমরা মামলা-মোকদ্দমা করে সময় নষ্ট না করে, এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সেই সময়টুকু দিতে চাই।অনুষ্ঠানে জাগপার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেনসহ জাগপা ও ১১ দলের স্থানীয় শীর্ষপর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান পঞ্চগড় প্রেসক্লাব পরিদর্শনে যান এবং সেখানে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল—টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, প্রতিটি প্রান্তে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যে নামটি সবসময় অগ্রভাগে থাকে। আর এই যুবদলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হলো ঢাকা মহানগর উত্তর। এই ইউনিটের এক লড়াকু, বিশ্বস্ত এবং রাজপথ কাঁপানো নেতার নাম শিমুল আহমেদ। যিনি মাঠ পর্যায় থেকে নিজের যোগ্যতা, ত্যাগ আর সততার প্রমাণ দিয়ে আজ যুব রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন।রাজনীতি মানেই যেখানে ত্যাগ, সেখানে শিমুল আহমেদ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিগত সরকারের দমন-পীড়নের মুখে কোনো দিন মাথানত করেননি তিনি। দলীয় চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মতিঝিলের রাজপথ থেকে শুরু করে পল্টনের দলীয় কার্যালয়—প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তাকে দমনের চেষ্টা করেছে তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।কারাভোগের খতিয়ানই বলে দেয় দলের প্রতি তার আনুগত্য কতটা গভীর দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে গ্রেপ্তার হয়ে ৫৮ দিন কারাভোগ। ২০২৩ সালের আগস্টে পল্টন থেকে গ্রেপ্তার হয়ে ৫৬ দিন রাজবন্দী হিসেবে কাটানো। ২০১০ সালে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলায় দীর্ঘ ১৬ মাস কারাবরণ। চব্বিশের নির্বাচনের আগে উত্তরা ৭ থানার প্রতিটি রাজনৈতিক মামলায় তাকে এজাহারভুক্ত আসামি করে দমনের চেষ্টা করা হয়।সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়টি রচিত হয় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে। ঢাকা মহানগর উত্তরের রাজপথে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সফল করতে শিমুল আহমেদ সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন, যার ফলশ্রুতিতে তার ওপর নেমে আসে অসংখ্য মামলার বেড়াজাল। কিন্তু কোনো ভয় বা প্রলোভন তাকে রাজপথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।শিমুল আহমেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি দীর্ঘ দুই দশকের ধারাবাহিক শ্রমের ফসল। ২০০২ সালে বৃহত্তর উত্তরা থানার দক্ষিণখান ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে (জসিম ও সাইফুল আলম নিরব কমিটির সময়ে) তার যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে।তিনি উত্তরা মডেল থানা এবং উত্তরা পশ্চিম থানা যুবদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব) অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মিরপুর জোনের টিম প্রধান হিসেবে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষমতা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। এমনকি ২০২৬ সালের ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি তার দক্ষতার ছাপ রেখেছেন।বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যারা বারবার জেল খেটেছেন এবং যারা রাজপথের কঠিন সময়ে নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন—তাদেরই এখন নেতৃত্বে আসা সময়ের দাবি। এই বাস্তবতায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলকে আরও গতিশীল, সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী করতে সাধারণ সম্পাদক বা সদস্য সচিব পদের জন্য শিমুল আহমেদ একজন অত্যন্ত যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।উত্তরা পশ্চিম থানার স্থায়ী বাসিন্দা মো: শহিদুল ইসলাম ও মোসা: শহীদা বেগমের এই সন্তান সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে জনপ্রিয়। বৃহত্তর উত্তরা এলাকার প্রতিটি সামাজিক ও মানবিক সংকটে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতে, শিমুল আহমেদ কেবল একজন নেতাই নন, তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের প্রতিটি কর্মীর আস্থার প্রতীক। মাঠের কর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এই নেতা আগামী দিনে যুবদলকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন—এমনটাই প্রত্যাশা উত্তর যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের। রাজপথের এই পরীক্ষিত নেতৃত্বই হোক আগামী দিনের প্রেরণা।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নারী, তার তিন শিশুসন্তান ও ভাইকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত পরিবারের পশে গোপালগঞ্জ ২ আসনের এমপি ডা. কেএম বাবর। নিহত শারমিন আক্তারের ভাইদের চাকুরী দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় নিহত রসুল ও শারমিন আক্তারের গ্রামের বাড়ি পাইককান্দি গিয়ে পরিবারের খোঁজ খবর নেয় এমপি। এ সময় গোপালগঞ্জ ২ আসনেন সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর নিহত শারমিন আক্তারের বাবা শাহাদাত মোল্লাকে আশ্বস্ত করেন তাদের পরিবারে যোগ্য কেউ থাকলে তকে চাকুরী ব্যাবস্থা করে দেওয়া হবে জানান, এতে নিহত পরিবার আর্থিকভাবে স্বাচ্ছন্দে থাকতে পারবে বলে জানান তিনি। এসময় গোপালগঞ্জ জেলা ও উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নারী, তার তিন শিশুসন্তান ও ভাইকে ১০ মে রাতে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহতদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামে। নিহতরা হলেন—শারমিন আক্তার (৩৫), তার তিন সন্তান মিম আক্তার (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া (১) এবং তার ভাই রসুল হোসেন। শারমিন আক্তার গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি উত্তর চরপাড়া গ্রামের শাহাদাত মোল্লা চৌকিদারের মেয়ে। তারা দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুরে বসবাস করতেন।ঘটনার পর থেকেই নিহত শারমিনের স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্বজনদের প্রাথমিক ধারণা, তিনিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "আল্লাহ তাআলা যাকে যে অবস্থানে রাখেন, তার মাঝেই প্রকৃত কল্যাণ নিহিত থাকে। আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো আন্তরিকতার সাথে দ্বীনের জন্য কাজ করে যাওয়া এবং আল্লাহর ফয়সালার ওপর সবসময় সন্তুষ্ট থাকা।"বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে রাজধানীর আলফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় শিক্ষা শিবিরের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষা শিবিরে সারা দেশ থেকে আসা নারী নেত্রীদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি দুনিয়া ও আখিরাতের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে বলেন, মুমিনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত পরকালীন মুক্তি। দুনিয়ার সাময়িক কোনো প্রাপ্তি বা অভাব যেন ঈমানের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।অনুষ্ঠানে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ইবাদত শুধু নামাজে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জীবনের প্রতিটি কাজ আল্লাহর আইন অনুযায়ী পরিচালনা করাই প্রকৃত দ্বীনদারী।মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখার আহ্বান জানান। তিনি কর্মীদের আদর্শ, তাকওয়া এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্মন। দেশের সকল জেলা থেকে বাছাইকৃত নারী দায়িত্বশীলরা এতে অংশ নিচ্ছেন। ১৪ মে শুরু হওয়া এই শিক্ষা শিবির চলবে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত।অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের স্বাস্থ্যখাত এখন সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত খাতে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, এই খাতের লাগামহীন দুর্নীতি বন্ধ করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় 'প্রাক হেলথ কেয়ার'-এর ২য় সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, নাগরিকের শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চয়তা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব, যার জন্য জনগণ কর দেয়। কিন্তু সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা সমাধানে আসন্ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।স্বাস্থ্যখাতে কর্মরত দ্বীনদার ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যমূলক ও হয়রানিমূলক বদলি বন্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্বাস্থ্যসেবায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে।ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে (ডিএনসিসি) একটি স্বাস্থ্যবান্ধব ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন তিনি। বিশেষ করে সামর্থ্যহীনদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার ওপর জোর দেন।প্রাক হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) প্রফেসর ডা. জেহাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের এডমিন ইনচার্জ মো. জুবায়ের হোসাইন রাজন এবং শিক্ষা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর মো. রায়হান উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামী শুক্রবার (১৫ মে) রংপুর সফরে যাচ্ছেন। বুধবার (১৩ মে) দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সফরের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ডা. শফিকুর রহমান রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে স্থানীয় রংপুর মডেল কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত উপজেলা ও থানা আমির সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। একই দিনে তিনি ওই অঞ্চলের টিম সদস্য এবং জেলা ও মহানগর আমিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।সফরকালে দুপুরে তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের রংপুর মহানগরী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং রংপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকে মিলিত হবেন।বিকেল সাড়ে ৪টায় রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে একটি সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ডা. শফিকুর রহমান সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করবেন।জামায়াত আমিরের এই সফরে তাঁর সঙ্গে থাকবেন সংগঠনের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম এবং স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্যরা।