‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনার ডুমুরিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে স্থানীয় মৎস্যচাষি ও মৎস্যজীবীদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী সাঁতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার বেলা ১১টায় ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ পুকুরে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ডুমুরিয়ার ঐতিহ্যবাহী মৎস্য খাতের প্রসার এবং মৎস্যজীবীদের শারীরিক কসরত ও বিনোদনের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়।প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মৎস্যচাষি ও সাধারণ মৎস্যজীবীরা অংশ নেন। প্রতিযোগীদের উৎসাহ দিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী সাঁতারুদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।অনুষ্ঠানে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, ‘মৎস্যজীবীরাই আমাদের জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। মাছ উৎপাদনে স্বনির্ভরতা বজায় রাখার পাশাপাশি তাঁদের কর্মোদ্দীপনা বৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতেই আমাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। মৎস্যজীবীদের ঐক্যবদ্ধ করে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মাছ চাষে উৎসাহিত করতে আমরা নিয়মিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছি।’অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনোরঞ্জন দাস এবং ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর ও খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. মোসলেম আলী।তাঁরা বলেন, এ ধরনের গ্রামীণ ক্রীড়া আয়োজন শুধু বিনোদনই জোগায় না, বরং স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। ডুমুরিয়ার মৎস্য খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।অনুষ্ঠানে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় সফল মৎস্যচাষি, সাধারণ মৎস্যজীবী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। বিজয়ীদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজনস্থল।