ঢাকার দোহারের মৈনট ঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল আবার পিছিয়েছে। প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৬ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।সোমবার (৩ আগস্ট) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবর রহমানের আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।আদালতে দোহার থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের এএসআই মুনিয়া আক্তার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বুয়েট শিক্ষার্থী সানির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় মোট ১৫ জন আসামি রয়েছেন। তারা হলেন— শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, মো. রুবেল, মো. সজীব, মো. নুরুজ্জামান, মো. নাসির, মো. মারুফ, মো. আশরাফুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক এবং রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। এজাহারনামীয় এই আসামিরা বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই ১৫ থেকে ১৬ জনের একদল যুবক একসঙ্গে পদ্মা নদীতে ঘুরতে যান। সন্ধ্যার পর বুয়েট শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানি হঠাৎ নিখোঁজ হন।১৪ জুলাই রাত: স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে দোহার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে।১৫ জুলাই সকাল: ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পদ্মা নদী থেকে সানির মরদেহ উদ্ধার করে।সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত: সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।মরদেহ উদ্ধারের পর ওই দিন বিকেলেই সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান বাদী হয়ে দোহার থানায় উল্লিখিত ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।