সিন্ডিকেটের থাবায় দিশেহারা ক্রেতা: ৭.৫০ টাকার ডিম এখন ১১.২০ টাকা, কার্যকর নজরদারির দাবি।নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতিতে প্রতিদিনই বাড়ছে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি করেছে আমিষের অন্যতম সহজলভ্য উৎস ডিমের দাম। বাজারে যে ডিম কিছুদিন আগেও প্রতি পিস ৭ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হতো, বর্তমানে তা ১১ টাকা ২০ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের খাদ্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, ডিমের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পেছনে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের প্রভাব রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যকর বাজার তদারকি বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন।বাজারে গিয়ে দেখা যায়, খুচরা বিক্রেতাদের কাছে দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে অনেকেই স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। কেউ কেউ প্রশ্ন এড়িয়ে যান। এতে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়ছে।ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কার্যকর নজরদারির অভাবে একটি অসাধু চক্র ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছে। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত দামে পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ডিম দীর্ঘদিন ধরেই সাশ্রয়ী আমিষের উৎস ছিল। কিন্তু লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক পরিবার এখন প্রয়োজনীয় পরিমাণ ডিম কিনতেও হিমশিম খাচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে বাজারে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার, মূল্যবৃদ্ধির কারণ তদন্ত এবং কোনো ধরনের কারসাজি বা অনিয়মের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও ভোক্তারা।