নজর বিডি

হত্যা মামলার সূত্রে ধরা পড়ল ডেভিড ইমন

চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনসহ একটি সন্ত্রাসী চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ধামা ইলিয়াছের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে শনাক্ত করা হয়।পুলিশ জানায়, গত ১৩ জুন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের প্রভাবশালী নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ রাউজানে প্রকাশ্যে খুন হন। এ ঘটনায় তদন্তে নেমে জেলা পুলিশ প্রথমে হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিঠু ওরফে ধামা ইলিয়াছকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনসহ অন্যদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে পুলিশ।বুধবার (২৯ জুলাই) যশোরের কোতোয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অস্ত্রের মজুত ও সহযোগীদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমন চট্টগ্রাম মহানগর, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজিসহ ১৩টি মামলা রয়েছে। এছাড়া রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও চট্টগ্রাম মহানগরের কয়েকটি হত্যাকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।অন্যদিকে, ধামা ইলিয়াছের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি হত্যা মামলা ছাড়াও অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ, প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। ধামা ইলিয়াছকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনসহ অন্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফটিকছড়ি থানার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।চট্টগ্রাম পুলিশ জানিয়েছে, সন্ত্রাসী চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

হত্যা মামলার সূত্রে ধরা পড়ল ডেভিড ইমন