“বেকারত্ব দূর করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।”দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে দক্ষিণ খান এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে একটি পরিচিত নাম হাজী মোহাম্মদ শাহজালাল। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ খান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি সাবেক ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে টানা ৬ বছর এবং ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবেও ৬ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।১৯৯১ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের পর থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হন তিনি। সেই সময় থেকে দল ও জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত।’’এসময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সমালোচনা করে বলেন, “জামায়াতে ইসলামী এক কথা বলে আরেক কাজ করে। তাদের আচার-আচরণে স্বচ্ছতা নেই। তাদের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডে ধোঁকাবাজির প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।”হাজী মোহাম্মদ শাহজালাল মনে করেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, “অন্যায়, অত্যাচার ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতির মূল চেতনা। আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং তাদের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে চাই।”বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “এখন আর প্রকৃত রাজনৈতিক চর্চা দেখা যায় না। প্রতিহিংসার রাজনীতি সমাজকে বিভক্ত করছে। আমি এই ধরনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।”স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি জানান, তার এলাকার অনেক রাস্তাঘাট এখনো কাঁচা। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে যায়। এসব সমস্যা সমাধানে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের কাছে একাধিকবার আবেদন করেছেন।তিনি আরও বলেন, “বেকারত্ব দূর করা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ভাঙা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।” পাশাপাশি তিনি একটি সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।দলের প্রতি নিজের প্রত্যাশার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি দল থেকে বাড়ি-গাড়ি বা ব্যক্তিগত সুবিধা চাই না। আমি শুধু চাই দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন দেওয়া হোক।”তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তার আহ্বান, “ভালোভাবে পড়াশোনা করার পাশাপাশি খেলাধুলা ও নৈতিক শিক্ষার প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ সুস্থ সমাজ গঠনে শিক্ষিত ও সচেতন তরুণদের বিকল্প নেই।”বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে নিজের রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে হাজী মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, “আমি জনগণের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। মানুষ ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকব। মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি ও প্রেরণা।”