বাজার পরিস্থিতি ও ব্যবসায়ীদের মতামত
হিলি বন্দরে পাইকারি ক্রেতারা জানাচ্ছেন, কয়েকদিন আগেও যে দামে চাল কেনা সম্ভব হচ্ছিল, এখন তা বেড়ে গেছে। স্বর্ণা চাল ৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫২-৫৩ টাকা, শম্পা কাটারি ৬৪-৬৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৭-৬৮ টাকা।
অনেকে বলছেন, চাল আমদানি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় আমদানিকারকরা পণ্য মজুত করছেন, যা দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এক পাইকার বলেন, “আমদানি যদি চালু থাকতো, বাজার স্থিতিশীল থাকতো। এখন বন্ধ হয়ে গেলে দাম আরও ৫-৭ টাকা বাড়তে পারে।”
আমদানিকারকদের উদ্বেগ
আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, “১৫ এপ্রিলের পর যদি সময়সীমা না বাড়ে, তবে আমরা বড় ক্ষতির মুখে পড়ব। এখনও অনেক চাল ভারতের ভেতরে আটকে আছে। এলসি পেন্ডিং রয়েছে। সময় না বাড়ালে সেগুলো দেশের বাজারে আসবে না।”
আরেক আমদানিকারক ললিত কেশেরা বলেন, “ভারতের বাজারে চালের দাম বেড়েছে, ডলারের দরও ঊর্ধ্বমুখী। সবকিছু মিলিয়ে সরবরাহ কমে গেছে। তাই বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি নিয়মিত রাখা উচিত। পরে দেশে নতুন ধান উঠলে আমদানি বন্ধ করা যেতে পারে।”
কর্তৃপক্ষের অবস্থান
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, “খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত অনুমতিপ্রাপ্ত আমদানিকারকরা চাল আনতে পারবেন। শেষ মুহূর্তে আমদানি বেড়ে যাওয়ায় শুল্ক বিভাগ চাল দ্রুত ছাড়করণের জন্য কাজ করছে।”
এ পর্যন্ত ১১ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ১২ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত হিলি বন্দর দিয়ে মোট ২ লাখ ৫২ হাজার টন চাল আমদানি হয়েছে।
চাল আমদানির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রভাবে সরবরাহে চাপ ও বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টরা আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে চাল কিনতে পারে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট না তৈরি হয়। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৫
বাজার পরিস্থিতি ও ব্যবসায়ীদের মতামত
হিলি বন্দরে পাইকারি ক্রেতারা জানাচ্ছেন, কয়েকদিন আগেও যে দামে চাল কেনা সম্ভব হচ্ছিল, এখন তা বেড়ে গেছে। স্বর্ণা চাল ৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৫২-৫৩ টাকা, শম্পা কাটারি ৬৪-৬৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৭-৬৮ টাকা।
অনেকে বলছেন, চাল আমদানি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় আমদানিকারকরা পণ্য মজুত করছেন, যা দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এক পাইকার বলেন, “আমদানি যদি চালু থাকতো, বাজার স্থিতিশীল থাকতো। এখন বন্ধ হয়ে গেলে দাম আরও ৫-৭ টাকা বাড়তে পারে।”
আমদানিকারকদের উদ্বেগ
আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, “১৫ এপ্রিলের পর যদি সময়সীমা না বাড়ে, তবে আমরা বড় ক্ষতির মুখে পড়ব। এখনও অনেক চাল ভারতের ভেতরে আটকে আছে। এলসি পেন্ডিং রয়েছে। সময় না বাড়ালে সেগুলো দেশের বাজারে আসবে না।”
আরেক আমদানিকারক ললিত কেশেরা বলেন, “ভারতের বাজারে চালের দাম বেড়েছে, ডলারের দরও ঊর্ধ্বমুখী। সবকিছু মিলিয়ে সরবরাহ কমে গেছে। তাই বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানি নিয়মিত রাখা উচিত। পরে দেশে নতুন ধান উঠলে আমদানি বন্ধ করা যেতে পারে।”
কর্তৃপক্ষের অবস্থান
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, “খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত অনুমতিপ্রাপ্ত আমদানিকারকরা চাল আনতে পারবেন। শেষ মুহূর্তে আমদানি বেড়ে যাওয়ায় শুল্ক বিভাগ চাল দ্রুত ছাড়করণের জন্য কাজ করছে।”
এ পর্যন্ত ১১ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ১২ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত হিলি বন্দর দিয়ে মোট ২ লাখ ৫২ হাজার টন চাল আমদানি হয়েছে।
চাল আমদানির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রভাবে সরবরাহে চাপ ও বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টরা আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষ ন্যায্য দামে চাল কিনতে পারে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট না তৈরি হয়। 
আপনার মতামত লিখুন