ছাত্ররাজনীতির হাত ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ সেলিমুজ্জামান সেলিম–এর। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ধাপে ধাপে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নিজেকে একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, সিনেট সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক এবং যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় আড়াই দশক ধরে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুরে দলীয় রাজনীতিকে সুসংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি।
দীর্ঘ সময় মাঠকেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, আন্দোলন-সংগ্রাম কিংবা সাংগঠনিক সংকট—সব সময়ই কর্মীদের পাশে থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে তার প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক জীবনজুড়ে তাকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হয়েছে। বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে একাধিক সময়ে প্রশাসনিক চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ভোটাধিকার, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট দাবি, সামাজিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ইস্যুতে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি মাঠে সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।
বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেন সময় এবং পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে তাকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি।
তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে না গিয়ে ধারাবাহিকভাবে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার একটি স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।
গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর শিক্ষা, যোগাযোগ, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে তার সক্রিয়তা স্থানীয় জনগণের নজর কেড়েছে। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে তাকে ঘিরে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত এবং জনসম্পৃক্ত নেতাদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হলে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পায়। সেই দিক থেকে সেলিমুজ্জামান সেলিমের নাম রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় থাকাটা অস্বাভাবিক নয় বলেও মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভবিষ্যতে সেলিমুজ্জামান সেলিমকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ছাত্ররাজনীতির হাত ধরেই রাজনৈতিক অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ সেলিমুজ্জামান সেলিম–এর। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ধাপে ধাপে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নিজেকে একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, সিনেট সদস্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক এবং যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রায় আড়াই দশক ধরে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুরে দলীয় রাজনীতিকে সুসংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি।
দীর্ঘ সময় মাঠকেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, আন্দোলন-সংগ্রাম কিংবা সাংগঠনিক সংকট—সব সময়ই কর্মীদের পাশে থাকায় স্থানীয় পর্যায়ে তার প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক জীবনজুড়ে তাকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হতে হয়েছে। বিভিন্ন আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে একাধিক সময়ে প্রশাসনিক চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ভোটাধিকার, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট দাবি, সামাজিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন ইস্যুতে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি মাঠে সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানান।
বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেন সময় এবং পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে তাকে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি।
তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে না গিয়ে ধারাবাহিকভাবে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও তার একটি স্বতন্ত্র গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।
গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর শিক্ষা, যোগাযোগ, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে তার সক্রিয়তা স্থানীয় জনগণের নজর কেড়েছে। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে তাকে ঘিরে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পৃক্ত এবং জনসম্পৃক্ত নেতাদের রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হলে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পায়। সেই দিক থেকে সেলিমুজ্জামান সেলিমের নাম রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় থাকাটা অস্বাভাবিক নয় বলেও মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভবিষ্যতে সেলিমুজ্জামান সেলিমকে মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন