কারখানাগুলোর অধিকাংশে শ্রমিক উপস্থিতির হার ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যে। তবে আশুলিয়ার কিছু কারখানায় উপস্থিতি সামান্য কম হলেও দুই-এক দিনের মধ্যেই সেগুলোও স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ ও বিজিএমই। পিজন সোয়েটার লিমিটেডের পরিচালক আহমেদ মুর্তজা জানান, ঈদের পর কারখানা খোলার প্রথম দিনই উপস্থিতির হার শতকরা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগের মধ্যে রয়েছে। এই উপস্থিতি আমাদের জন্য সন্তোষজনক।উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৪ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছিল সাভার-আশুলিয়ার পোশাক কারখানাগুলো। এরপর রোববার থেকেই প্রায় সব কারখানায় পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৫
কারখানাগুলোর অধিকাংশে শ্রমিক উপস্থিতির হার ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশের মধ্যে। তবে আশুলিয়ার কিছু কারখানায় উপস্থিতি সামান্য কম হলেও দুই-এক দিনের মধ্যেই সেগুলোও স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ ও বিজিএমই। পিজন সোয়েটার লিমিটেডের পরিচালক আহমেদ মুর্তজা জানান, ঈদের পর কারখানা খোলার প্রথম দিনই উপস্থিতির হার শতকরা ৯০ থেকে ৯৫ ভাগের মধ্যে রয়েছে। এই উপস্থিতি আমাদের জন্য সন্তোষজনক।উল্লেখ্য, চলতি মাসের ৪ থেকে ৬ তারিখ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছিল সাভার-আশুলিয়ার পোশাক কারখানাগুলো। এরপর রোববার থেকেই প্রায় সব কারখানায় পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন