ঢাকা, সোমবার | ২১ জুলাই ২০২৫
রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি F-7 BGI মডেলের প্রশিক্ষণ ফাইটার-জেট হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুলের হায়দার আলী ভবনে আছড়ে পড়ে। ক্লাস চলাকালীন সময়েই ভবনটিতে ধাক্কা লাগার পরপরই ক্যাম্পাসজুড়ে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার সময় স্কুলের মাঠে ও কক্ষে অবস্থান করা বহু কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক দগ্ধ হন। মুহূর্তেই সৃষ্টি হয় চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার নিশ্চিত করেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আইএসপিআর-এর হিসাব অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে—
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ): ১১ জন
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে: ২ জন
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে: ২ জন
লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে: ২ জন
উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে: ১ জন
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে: ৭০ জন
উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে: ৬০ জন
সিএমএইচে: ১৪ জন
লুবনা জেনারেল হাসপাতালে: ১১ জন
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে: ৮ জন
উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে: ১ জন
দগ্ধদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্ন ইনস্টিটিউটের কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পরপরই বিমানবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিন। বহু শিক্ষার্থী এখনো হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমরা শোকাহত।”
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ সবাই হতভম্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দেশবাসী।
আরও তথ্য জানার জন্য তদন্ত প্রতিবেদন ও আইএসপিআরের আপডেট অপেক্ষমাণ রয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৫
ঢাকা, সোমবার | ২১ জুলাই ২০২৫
রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।
সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি F-7 BGI মডেলের প্রশিক্ষণ ফাইটার-জেট হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুলের হায়দার আলী ভবনে আছড়ে পড়ে। ক্লাস চলাকালীন সময়েই ভবনটিতে ধাক্কা লাগার পরপরই ক্যাম্পাসজুড়ে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার সময় স্কুলের মাঠে ও কক্ষে অবস্থান করা বহু কোমলমতি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক দগ্ধ হন। মুহূর্তেই সৃষ্টি হয় চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার নিশ্চিত করেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আইএসপিআর-এর হিসাব অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে—
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ): ১১ জন
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে: ২ জন
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে: ২ জন
লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে: ২ জন
উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে: ১ জন
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে: ৭০ জন
উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে: ৬০ জন
সিএমএইচে: ১৪ জন
লুবনা জেনারেল হাসপাতালে: ১১ জন
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে: ৮ জন
উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে: ১ জন
দগ্ধদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্ন ইনস্টিটিউটের কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পরপরই বিমানবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিন। বহু শিক্ষার্থী এখনো হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আমরা শোকাহত।”
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ সবাই হতভম্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দেশবাসী।
আরও তথ্য জানার জন্য তদন্ত প্রতিবেদন ও আইএসপিআরের আপডেট অপেক্ষমাণ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন