ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২৫ (বৃহস্পতিবার):
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, “বিভিন্ন অপরাধে কারাগারে যারা আসে, তারা আমাদের সমাজেরই অংশ। এখান থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তারা যেন আবার অপরাধে না জড়ায়—সেজন্য সংশোধনের সুযোগ রাখতে হবে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি জানান, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখানে ফাউন্ডেশনের একজন শিক্ষক ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে থাকেন এবং বন্দিদের মধ্য থেকেও কেউ কেউ এতে সম্পৃক্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে কারা কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী আরও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, “কারাগারে মসজিদ, মন্দির বা অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ নিরাপত্তাজনিত কারণে সম্ভব না হলেও, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্দিরা যাতে নিজ ধর্ম চর্চা করতে পারে—সেজন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হবে।” এ লক্ষ্যে জায়নামাজ, ধর্মীয় বই-পুস্তক ও অন্যান্য উপকরণ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সরবরাহের আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি, হিন্দু বন্দিদের জন্যও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান উপদেষ্টা।
পরিদর্শনকালে তিনি কারাগারের কেন্দ্রীয় মক্তব, হিফজ শাখা, লাইব্রেরি, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রন্ধনশালা, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ওয়ার্ড ও সেল ঘুরে দেখেন এবং হাজতি ও কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আরও ধর্মীয় বইপত্র সরবরাহ করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কারা মক্তব চালু করে। বর্তমানে এখানে ১২টি মক্তব চালু রয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মক্তবগুলো থেকে ৮ হাজার ২২২ জন কারাবন্দি আরবি শিক্ষা এবং ২ হাজার ৪৭০ জন কুরআন শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করেছেন। এ পর্যন্ত কারাগারে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বার কুরআন খতম হয়েছে।
এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান, আইজি (প্রিজন) সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, এআইজি জাহাঙ্গীর কবির, সিনিয়র জেল সুপার সুরাইয়া আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৫
ঢাকা, ২৪ জুলাই ২০২৫ (বৃহস্পতিবার):
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, “বিভিন্ন অপরাধে কারাগারে যারা আসে, তারা আমাদের সমাজেরই অংশ। এখান থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তারা যেন আবার অপরাধে না জড়ায়—সেজন্য সংশোধনের সুযোগ রাখতে হবে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি জানান, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখানে ফাউন্ডেশনের একজন শিক্ষক ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে থাকেন এবং বন্দিদের মধ্য থেকেও কেউ কেউ এতে সম্পৃক্ত হয়েছেন। ভবিষ্যতে কারা কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী আরও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, “কারাগারে মসজিদ, মন্দির বা অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ নিরাপত্তাজনিত কারণে সম্ভব না হলেও, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্দিরা যাতে নিজ ধর্ম চর্চা করতে পারে—সেজন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হবে।” এ লক্ষ্যে জায়নামাজ, ধর্মীয় বই-পুস্তক ও অন্যান্য উপকরণ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সরবরাহের আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি, হিন্দু বন্দিদের জন্যও ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানান উপদেষ্টা।
পরিদর্শনকালে তিনি কারাগারের কেন্দ্রীয় মক্তব, হিফজ শাখা, লাইব্রেরি, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রন্ধনশালা, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ওয়ার্ড ও সেল ঘুরে দেখেন এবং হাজতি ও কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আরও ধর্মীয় বইপত্র সরবরাহ করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কারা মক্তব চালু করে। বর্তমানে এখানে ১২টি মক্তব চালু রয়েছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মক্তবগুলো থেকে ৮ হাজার ২২২ জন কারাবন্দি আরবি শিক্ষা এবং ২ হাজার ৪৭০ জন কুরআন শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করেছেন। এ পর্যন্ত কারাগারে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বার কুরআন খতম হয়েছে।
এ সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান, আইজি (প্রিজন) সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, এআইজি জাহাঙ্গীর কবির, সিনিয়র জেল সুপার সুরাইয়া আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন