সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ১২ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া ৭২ ঘণ্টার দেশব্যাপী পরিবহন ধর্মঘট সর্বসম্মতভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রোববার ঢাকার বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাথে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
সভা শেষে উপদেষ্টা জানান, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সংশোধনীর খসড়া প্রস্তুত করা হবে। তিনি আরও বলেন, ইকোনমিক লাইফ উত্তীর্ণ মোটরযান প্রত্যাহারের সময় মালিক-শ্রমিকদের ক্ষতি রোধে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাপানি ও ইউরোপীয় রিকন্ডিশন্ড বাণিজ্যিক যান আমদানির ব্যয় সাশ্রয়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের মালিক-চালকের সুরক্ষা, ই-লাইসেন্স বৈধতা নিশ্চিতকরণ, স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স দ্রুত সরবরাহ, বাণিজ্যিক যানবাহনের অগ্রিম আয়কর প্রিজাম্পটিভ ট্যাক্সে রূপান্তর এবং দুর্ঘটনায় কবলিত শ্রমিকদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, সরকারকে জিম্মি করে দাবি আদায় করা পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের উদ্দেশ্য নয়। সরকারের আইনানুগ সিদ্ধান্তে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।
সভায় সড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলমসহ মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৫
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ১২ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া ৭২ ঘণ্টার দেশব্যাপী পরিবহন ধর্মঘট সর্বসম্মতভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রোববার ঢাকার বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাথে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
সভা শেষে উপদেষ্টা জানান, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সংশোধনীর খসড়া প্রস্তুত করা হবে। তিনি আরও বলেন, ইকোনমিক লাইফ উত্তীর্ণ মোটরযান প্রত্যাহারের সময় মালিক-শ্রমিকদের ক্ষতি রোধে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জাপানি ও ইউরোপীয় রিকন্ডিশন্ড বাণিজ্যিক যান আমদানির ব্যয় সাশ্রয়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের মালিক-চালকের সুরক্ষা, ই-লাইসেন্স বৈধতা নিশ্চিতকরণ, স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স দ্রুত সরবরাহ, বাণিজ্যিক যানবাহনের অগ্রিম আয়কর প্রিজাম্পটিভ ট্যাক্সে রূপান্তর এবং দুর্ঘটনায় কবলিত শ্রমিকদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, সরকারকে জিম্মি করে দাবি আদায় করা পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের উদ্দেশ্য নয়। সরকারের আইনানুগ সিদ্ধান্তে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।
সভায় সড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব এহছানুল হক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব সাইফুল আলমসহ মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন