রাজধানীর খিলক্ষেত থানা এলাকায় চলছে রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ৩০০ ফিট হয়ে পূর্বাচলগামী সড়কে প্রায় ১২০টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর মাসিক “স্টিকার চাঁদা” নামে বৈধতাহীন কর আদায়ের এক প্রথা চালু রয়েছে।
চোখে ধোঁকা দেওয়ার কৌশল হিসেবে প্রতি মাসেই পরিবর্তন করা হচ্ছে স্টিকারের প্রতীক। আগে ইলিশ মাছ, এখন ড্রাগন ফল। এই স্টিকার লাগানো ছাড়া রাস্তায় চলাচল কার্যত অসম্ভব। অথচ এর জন্য দিতে হচ্ছে প্রতি গাড়ি থেকে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা। পুরো অর্থই চলে যাচ্ছে স্থানীয় দালাল ও প্রশাসনের অদৃশ্য সিন্ডিকেটের পকেটে।
সূত্র জানায়, এই স্টিকার বাণিজ্যের মূল হোতা পাতিরা এলাকার অটোচালক শফিকুল এবং পূর্বাচলের বাসিন্দা রাশেদুল। তারা প্রতি মাসে ১২০টি গাড়ি থেকে টাকা তুলে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থের বড় অংশ ভাগ হয়ে যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ বক্স, থানা এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের হাতে।
অটোচালকরা জানালেও, তারা মুখ খুলতে সাহস পান না—ভয় পান মামলা, গাড়ি জব্দ বা মারধরের।
সবকিছু দেখেও খিলক্ষেত থানা ও ট্রাফিক বিভাগ নীরব। এই নীরবতা আসলে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, নাকি লুটপাটে প্রত্যক্ষ অংশীদারিত্ব—এ প্রশ্ন এখন জনমনে।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ স্টিকার বাণিজ্য অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর তদন্ত ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রশাসন যদি নিরব থাকে, তবে ধরে নিতে হবে—খিলক্ষেতের সড়ক এখন আর জনগণের নিয়ন্ত্রণে নেই, বরং লুটেরা সিন্ডিকেটের কব্জায়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর খিলক্ষেত থানা এলাকায় চলছে রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় প্রকাশ্য চাঁদাবাজি। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে ৩০০ ফিট হয়ে পূর্বাচলগামী সড়কে প্রায় ১২০টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ওপর মাসিক “স্টিকার চাঁদা” নামে বৈধতাহীন কর আদায়ের এক প্রথা চালু রয়েছে।
চোখে ধোঁকা দেওয়ার কৌশল হিসেবে প্রতি মাসেই পরিবর্তন করা হচ্ছে স্টিকারের প্রতীক। আগে ইলিশ মাছ, এখন ড্রাগন ফল। এই স্টিকার লাগানো ছাড়া রাস্তায় চলাচল কার্যত অসম্ভব। অথচ এর জন্য দিতে হচ্ছে প্রতি গাড়ি থেকে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা। পুরো অর্থই চলে যাচ্ছে স্থানীয় দালাল ও প্রশাসনের অদৃশ্য সিন্ডিকেটের পকেটে।
সূত্র জানায়, এই স্টিকার বাণিজ্যের মূল হোতা পাতিরা এলাকার অটোচালক শফিকুল এবং পূর্বাচলের বাসিন্দা রাশেদুল। তারা প্রতি মাসে ১২০টি গাড়ি থেকে টাকা তুলে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থের বড় অংশ ভাগ হয়ে যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ বক্স, থানা এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের হাতে।
অটোচালকরা জানালেও, তারা মুখ খুলতে সাহস পান না—ভয় পান মামলা, গাড়ি জব্দ বা মারধরের।
সবকিছু দেখেও খিলক্ষেত থানা ও ট্রাফিক বিভাগ নীরব। এই নীরবতা আসলে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, নাকি লুটপাটে প্রত্যক্ষ অংশীদারিত্ব—এ প্রশ্ন এখন জনমনে।
স্থানীয়দের দাবি, অবৈধ স্টিকার বাণিজ্য অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর তদন্ত ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রশাসন যদি নিরব থাকে, তবে ধরে নিতে হবে—খিলক্ষেতের সড়ক এখন আর জনগণের নিয়ন্ত্রণে নেই, বরং লুটেরা সিন্ডিকেটের কব্জায়।

আপনার মতামত লিখুন