গরমের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খুলনার ডুমুরিয়ায় বেড়েছে লাগামহীন লোডশেডিং। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার গ্রাহক রয়েছেন বিপাকে।
স্থানীয়রা জানান, দিনে-রাতে মিলিয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ—
“২৪ ঘণ্টায় ৪/৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পেলেও বিল আগের মতোই অপরিবর্তিত। বরং কেউ কেউ আগের চেয়ে দ্বিগুণ বিল দিচ্ছেন।”
বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পশুপালন ও হাঁস-মুরগির খামারিরা।
খর্নিয়া ইউনিয়নের গরুর খামারি শেখ নজরুল ইসলাম বলেন—
“বিদ্যুৎ না থাকলে ১০ মিনিটেই গরুগুলো গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদেশি জাতের গরুর জন্য খামারে সারাক্ষণ ফ্যান লাগে। এতে ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে।”
এক মুরগি খামারি জানান—
“গরমের সঙ্গে লোডশেডিং মিলায় মুরগিগুলো অসুস্থ হয়ে প্রতিদিনই মরছে। হিটস্ট্রোকে অনেক ক্ষতি গুনতে হচ্ছে এ বছর।”
আরেক ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“পল্লী বিদ্যুতের দায়সারা কারবার। ভূতুড়ে বিল দিতে দিতে জীবন শেষ!”
খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রায় স্বীকার করেন—
“বিদ্যুতের উৎপাদন কম হওয়া এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”
তিনি জানান—
বর্তমান চাহিদা: ২১ মেগাওয়াট
সরবরাহ: মাত্র ৬–৮ মেগাওয়াট
ফলে ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
সমস্যা কবে কাটবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন—
“উৎপাদন সংশ্লিষ্টরা ভালো জানেন। তবে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, খুব শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫
গরমের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খুলনার ডুমুরিয়ায় বেড়েছে লাগামহীন লোডশেডিং। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার গ্রাহক রয়েছেন বিপাকে।
স্থানীয়রা জানান, দিনে-রাতে মিলিয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাসহ কৃষিপণ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ—
“২৪ ঘণ্টায় ৪/৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পেলেও বিল আগের মতোই অপরিবর্তিত। বরং কেউ কেউ আগের চেয়ে দ্বিগুণ বিল দিচ্ছেন।”
বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পশুপালন ও হাঁস-মুরগির খামারিরা।
খর্নিয়া ইউনিয়নের গরুর খামারি শেখ নজরুল ইসলাম বলেন—
“বিদ্যুৎ না থাকলে ১০ মিনিটেই গরুগুলো গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিদেশি জাতের গরুর জন্য খামারে সারাক্ষণ ফ্যান লাগে। এতে ভয়াবহ ক্ষতি হচ্ছে।”
এক মুরগি খামারি জানান—
“গরমের সঙ্গে লোডশেডিং মিলায় মুরগিগুলো অসুস্থ হয়ে প্রতিদিনই মরছে। হিটস্ট্রোকে অনেক ক্ষতি গুনতে হচ্ছে এ বছর।”
আরেক ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“পল্লী বিদ্যুতের দায়সারা কারবার। ভূতুড়ে বিল দিতে দিতে জীবন শেষ!”
খুলনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডুমুরিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রায় স্বীকার করেন—
“বিদ্যুতের উৎপাদন কম হওয়া এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”
তিনি জানান—
বর্তমান চাহিদা: ২১ মেগাওয়াট
সরবরাহ: মাত্র ৬–৮ মেগাওয়াট
ফলে ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
সমস্যা কবে কাটবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন—
“উৎপাদন সংশ্লিষ্টরা ভালো জানেন। তবে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, খুব শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে।”

আপনার মতামত লিখুন