অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. রাজিউন সালমা লাবনী এবং উদ্বোধন করেন সাবেক সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান, যিনি যোগ্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
কিশোর বয়স থেকেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যুক্ত এইচ. আর. হাবিব থিয়েটার থেকে টেলিভিশন নাটক, পরে চলচ্চিত্রে আসেন। তার জনপ্রিয় টিভি নাটকের মধ্যে রয়েছে আনন্দযাত্রা, মনপবন ও নিশিপুকুর। চলচ্চিত্রে তিনি নির্মাণ করেছেন রূপগাওয়াল এবং ছিটমহল—দুটি ভিন্নধারার গল্পনির্ভর সিনেমা। রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় মুক্তি পাওয়া রূপগাওয়াল ব্যবসায়িকভাবে সফল না হলেও গল্প ও নির্মাণে প্রশংসা কুড়ায়। পরবর্তী চলচ্চিত্র ছিটমহল দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। বর্তমানে তিনি সায়েন্স ফিকশনধর্মী নতুন চলচ্চিত্র জলকিরণ নির্মাণ করছেন, যা আগামী বছর মুক্তির অপেক্ষায়।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি এইচ. আর. হাবিব একজন সমাজসচেতন ও প্রতিবাদী নির্মাতা হিসেবেও পরিচিত। ২০১৩ সালে অনলাইনে ভারতীয় চলচ্চিত্রের আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বোফা)-এর আহ্বায়ক এবং মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতি।
অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে এইচ. আর. হাবিব বলেন,
“কাজের স্বীকৃতি কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা যোগায়। আমি চলচ্চিত্র কর্মী হিসেবে কাজের মধ্য দিয়েই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এই পুরস্কার আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল।”
সমীকরণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা জানান,
“আমরা প্রতি বছর সমাজে বিশেষ অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সম্মাননা দিয়ে থাকি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সমীকরণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. চার্লস ডেভিড (এমবিবিএস, এমডি, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউএসএ), সংবাদ প্রতিদিন-এর নির্বাহী সম্পাদক মাকসুদেল হোসেন খান, এস. এম. আমানউল্লাহ, কাজী শুভ্র প্রমুখ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৫
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডা. রাজিউন সালমা লাবনী এবং উদ্বোধন করেন সাবেক সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান, যিনি যোগ্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
কিশোর বয়স থেকেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যুক্ত এইচ. আর. হাবিব থিয়েটার থেকে টেলিভিশন নাটক, পরে চলচ্চিত্রে আসেন। তার জনপ্রিয় টিভি নাটকের মধ্যে রয়েছে আনন্দযাত্রা, মনপবন ও নিশিপুকুর। চলচ্চিত্রে তিনি নির্মাণ করেছেন রূপগাওয়াল এবং ছিটমহল—দুটি ভিন্নধারার গল্পনির্ভর সিনেমা। রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় মুক্তি পাওয়া রূপগাওয়াল ব্যবসায়িকভাবে সফল না হলেও গল্প ও নির্মাণে প্রশংসা কুড়ায়। পরবর্তী চলচ্চিত্র ছিটমহল দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। বর্তমানে তিনি সায়েন্স ফিকশনধর্মী নতুন চলচ্চিত্র জলকিরণ নির্মাণ করছেন, যা আগামী বছর মুক্তির অপেক্ষায়।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি এইচ. আর. হাবিব একজন সমাজসচেতন ও প্রতিবাদী নির্মাতা হিসেবেও পরিচিত। ২০১৩ সালে অনলাইনে ভারতীয় চলচ্চিত্রের আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। তিনি বাংলাদেশ ফিল্ম অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বোফা)-এর আহ্বায়ক এবং মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাবের সভাপতি।
অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে এইচ. আর. হাবিব বলেন,
“কাজের স্বীকৃতি কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা যোগায়। আমি চলচ্চিত্র কর্মী হিসেবে কাজের মধ্য দিয়েই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এই পুরস্কার আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল।”
সমীকরণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা জানান,
“আমরা প্রতি বছর সমাজে বিশেষ অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে সম্মাননা দিয়ে থাকি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সমীকরণ সাংস্কৃতিক সংগঠনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডা. চার্লস ডেভিড (এমবিবিএস, এমডি, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউএসএ), সংবাদ প্রতিদিন-এর নির্বাহী সম্পাদক মাকসুদেল হোসেন খান, এস. এম. আমানউল্লাহ, কাজী শুভ্র প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন