ঢাকা: পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি জমি অবৈধভাবে বরাদ্দ নেওয়া ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনটি মামলায় পৃথকভাবে সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত রায়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের অধীন সরকারি জমি দখল ও বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও নাগরিক অধিকারে আঘাত লেগেছে।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবনসহ দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলোর রায়ও পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করছে আদালত।
নতুন রায়ের ফলে তার বিরুদ্ধে মোট সাজা ও মামলার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেল। আদালত বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের এসব মামলার প্রতিটিই “অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা” প্রমাণ করে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকা: পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি জমি অবৈধভাবে বরাদ্দ নেওয়া ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তিনটি মামলায় পৃথকভাবে সাত বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত রায়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের অধীন সরকারি জমি দখল ও বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনা প্রমাণিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও নাগরিক অধিকারে আঘাত লেগেছে।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড থেকে শুরু করে যাবজ্জীবনসহ দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের পর দায়ের হওয়া মামলাগুলোর রায়ও পর্যায়ক্রমে ঘোষণা করছে আদালত।
নতুন রায়ের ফলে তার বিরুদ্ধে মোট সাজা ও মামলার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেল। আদালত বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের এসব মামলার প্রতিটিই “অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা” প্রমাণ করে।

আপনার মতামত লিখুন