কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। হাঁটতে হাঁটতে বোঝা যায়, আগের সেই ভয়ংকর অবস্থা আর নেই।
বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে যেখানে একসময় সহজেই গাঁজা পাওয়া যেত, এখন সেখানে নিয়মিত পুলিশি টহল দেখা যায়। যেসব ঝোপঝাড়ে একসময় ছিনতাইকারীরা লুকিয়ে থাকত, সেগুলোও এখন অপরাধমুক্ত।
রেলওয়ে টিকিট কাউন্টারের আশপাশে টিকিট কালোবাজারিদের যাতায়াতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
সিভিল এভিয়েশন স্টাফ কোয়ার্টারের আশপাশে যেখানকার গাঁজার গন্ধে একসময় লোকজন চলাফেরা করতে সংকোচ বোধ করতেন, সেখানেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
তবে ফুটপাত দখল করে হকারদের দৌরাত্ম্য এখনো আগের মতোই বজায় আছে।
বলাকা ভবন ও থার্ড টার্মিনাল এলাকায় সন্ধ্যার পরপরই একসময় হিজড়া ও ভাসমান যৌনকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেত—এই দৃশ্যও এখন অনেকটাই অনুপস্থিত।
এক কথায় বলা যায়—বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা বলেন—
“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়গুলো নজরে আসে। এরপর সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এসব প্রতিরোধ করার। কতটা সফল হয়েছি তা আপনারাই ভালো বিচার করতে পারবেন।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। হাঁটতে হাঁটতে বোঝা যায়, আগের সেই ভয়ংকর অবস্থা আর নেই।
বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে যেখানে একসময় সহজেই গাঁজা পাওয়া যেত, এখন সেখানে নিয়মিত পুলিশি টহল দেখা যায়। যেসব ঝোপঝাড়ে একসময় ছিনতাইকারীরা লুকিয়ে থাকত, সেগুলোও এখন অপরাধমুক্ত।
রেলওয়ে টিকিট কাউন্টারের আশপাশে টিকিট কালোবাজারিদের যাতায়াতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
সিভিল এভিয়েশন স্টাফ কোয়ার্টারের আশপাশে যেখানকার গাঁজার গন্ধে একসময় লোকজন চলাফেরা করতে সংকোচ বোধ করতেন, সেখানেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
তবে ফুটপাত দখল করে হকারদের দৌরাত্ম্য এখনো আগের মতোই বজায় আছে।
বলাকা ভবন ও থার্ড টার্মিনাল এলাকায় সন্ধ্যার পরপরই একসময় হিজড়া ও ভাসমান যৌনকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেত—এই দৃশ্যও এখন অনেকটাই অনুপস্থিত।
এক কথায় বলা যায়—বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা বলেন—
“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়গুলো নজরে আসে। এরপর সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এসব প্রতিরোধ করার। কতটা সফল হয়েছি তা আপনারাই ভালো বিচার করতে পারবেন।”

আপনার মতামত লিখুন