নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান উন্নতি

বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান উন্নতি

রাজধানীর বিমানবন্দর থানা একসময় জাল টাকা, চোরাচালান, ছিনতাইকারী ও মাদককারবারিদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। পার্কিং লট, টার্মিনাল ভবনের পাশ, কাস্টমস হাউস এলাকা, ক্যান্টিন চত্বর—সব জায়গায়ই ছিল অপরাধীদের দৌরাত্ম্য। প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন থেকে শুরু করে ছিনতাই, কালোবাজারি—সবকিছুই যেন ছিল দৈনন্দিন চিত্র।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। হাঁটতে হাঁটতে বোঝা যায়, আগের সেই ভয়ংকর অবস্থা আর নেই।
বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে যেখানে একসময় সহজেই গাঁজা পাওয়া যেত, এখন সেখানে নিয়মিত পুলিশি টহল দেখা যায়। যেসব ঝোপঝাড়ে একসময় ছিনতাইকারীরা লুকিয়ে থাকত, সেগুলোও এখন অপরাধমুক্ত।

রেলওয়ে টিকিট কাউন্টারের আশপাশে টিকিট কালোবাজারিদের যাতায়াতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
সিভিল এভিয়েশন স্টাফ কোয়ার্টারের আশপাশে যেখানকার গাঁজার গন্ধে একসময় লোকজন চলাফেরা করতে সংকোচ বোধ করতেন, সেখানেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

তবে ফুটপাত দখল করে হকারদের দৌরাত্ম্য এখনো আগের মতোই বজায় আছে।
বলাকা ভবন ও থার্ড টার্মিনাল এলাকায় সন্ধ্যার পরপরই একসময় হিজড়া ও ভাসমান যৌনকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেত—এই দৃশ্যও এখন অনেকটাই অনুপস্থিত।

এক কথায় বলা যায়—বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

ওসির মন্তব্য

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা বলেন—
“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়গুলো নজরে আসে। এরপর সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এসব প্রতিরোধ করার। কতটা সফল হয়েছি তা আপনারাই ভালো বিচার করতে পারবেন।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান উন্নতি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

রাজধানীর বিমানবন্দর থানা একসময় জাল টাকা, চোরাচালান, ছিনতাইকারী ও মাদককারবারিদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। পার্কিং লট, টার্মিনাল ভবনের পাশ, কাস্টমস হাউস এলাকা, ক্যান্টিন চত্বর—সব জায়গায়ই ছিল অপরাধীদের দৌরাত্ম্য। প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন থেকে শুরু করে ছিনতাই, কালোবাজারি—সবকিছুই যেন ছিল দৈনন্দিন চিত্র।

কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। হাঁটতে হাঁটতে বোঝা যায়, আগের সেই ভয়ংকর অবস্থা আর নেই।
বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে যেখানে একসময় সহজেই গাঁজা পাওয়া যেত, এখন সেখানে নিয়মিত পুলিশি টহল দেখা যায়। যেসব ঝোপঝাড়ে একসময় ছিনতাইকারীরা লুকিয়ে থাকত, সেগুলোও এখন অপরাধমুক্ত।

রেলওয়ে টিকিট কাউন্টারের আশপাশে টিকিট কালোবাজারিদের যাতায়াতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
সিভিল এভিয়েশন স্টাফ কোয়ার্টারের আশপাশে যেখানকার গাঁজার গন্ধে একসময় লোকজন চলাফেরা করতে সংকোচ বোধ করতেন, সেখানেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

তবে ফুটপাত দখল করে হকারদের দৌরাত্ম্য এখনো আগের মতোই বজায় আছে।
বলাকা ভবন ও থার্ড টার্মিনাল এলাকায় সন্ধ্যার পরপরই একসময় হিজড়া ও ভাসমান যৌনকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যেত—এই দৃশ্যও এখন অনেকটাই অনুপস্থিত।

এক কথায় বলা যায়—বিমানবন্দর থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

ওসির মন্তব্য

এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাসলিমা বলেন—
“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব অনিয়ম ও অপরাধের বিষয়গুলো নজরে আসে। এরপর সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এসব প্রতিরোধ করার। কতটা সফল হয়েছি তা আপনারাই ভালো বিচার করতে পারবেন।”


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত