খুলনার ডুমুরিয়ায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠজুড়ে এখন হলুদ সরিষা ফুলের ঢেউ। ভালো ফলনে কৃষকের চোখেমুখে আনন্দের আভা ফুটে উঠেছে।
চাষিরা জানান, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো পরিচর্যা করায় সরিষার ফলন আশানুরূপ হয়েছে। কম খরচে ও অল্প সময়ে ঘরে তোলা যায়—এ কারণে অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসান ইবনে আমিন বলেন, “এবছর ডুমুরিয়ায় সরিষার ফলন খুব ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের যথাযথ পরিচর্যার ফলে বাম্পার ফলন পাওয়া গেছে। মাঘ মাসের শেষ দিকে ও ফাল্গুনের শুরুতে ক্ষেত থেকে সরিষা তোলা শুরু হবে।” তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৯২৩ জন কৃষককে বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে এবছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৫৯ হেক্টর জমিতে।
উপজেলার টিপনা গ্রামের কৃষক শেখ মঞ্জুর রহমান বলেন, “অল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে সরিষার ফলন ঘরে তোলা যায়। ঝড়-বৃষ্টি না হওয়ায় এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।” তিনি জানান, বর্তমানে সরিষার বাজারদর মণপ্রতি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে গুদামজাত করে পরে বিক্রি করলে আরও ভালো দাম পাওয়া যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
খুলনার ডুমুরিয়ায় চলতি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠজুড়ে এখন হলুদ সরিষা ফুলের ঢেউ। ভালো ফলনে কৃষকের চোখেমুখে আনন্দের আভা ফুটে উঠেছে।
চাষিরা জানান, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো পরিচর্যা করায় সরিষার ফলন আশানুরূপ হয়েছে। কম খরচে ও অল্প সময়ে ঘরে তোলা যায়—এ কারণে অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইনসান ইবনে আমিন বলেন, “এবছর ডুমুরিয়ায় সরিষার ফলন খুব ভালো হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের যথাযথ পরিচর্যার ফলে বাম্পার ফলন পাওয়া গেছে। মাঘ মাসের শেষ দিকে ও ফাল্গুনের শুরুতে ক্ষেত থেকে সরিষা তোলা শুরু হবে।” তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৯২৩ জন কৃষককে বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে এবছর সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫৫৯ হেক্টর জমিতে।
উপজেলার টিপনা গ্রামের কৃষক শেখ মঞ্জুর রহমান বলেন, “অল্প খরচ ও স্বল্প সময়ে সরিষার ফলন ঘরে তোলা যায়। ঝড়-বৃষ্টি না হওয়ায় এবছর ফলনও ভালো হয়েছে।” তিনি জানান, বর্তমানে সরিষার বাজারদর মণপ্রতি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। রোদে ভালোভাবে শুকিয়ে গুদামজাত করে পরে বিক্রি করলে আরও ভালো দাম পাওয়া যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন