আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সাবিতা সরকার।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস, ডুমুরিয়া থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কালাম হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. দারুল হুদা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহসিনা ফেরদৌসী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাঁসি রাণী, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান, মনোজ কান্তি রায়, নির্বাচন কর্মকর্তা মনোরঞ্জন, বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. বাইজিদ আব্দুল্লাহ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা।
এছাড়াও বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকা, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, ছাত্র প্রতিনিধি মাসুদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সরোয়ার হোসেন, শেখ ফহরাদ হোসেন, চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ূন কবির, রফিকুল ইসলাম হেলাল, সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জি. এম. আমানুল্লাহ, ডুমুরিয়া মহিলা স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আবুল হালিম, নিসার উপজেলা সভাপতি খান মহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পরাজয় নিশ্চিত জেনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের বাড়ি থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।
তারা আরও বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড মানব ইতিহাসের এক জঘন্যতম গণহত্যা, যা জাতি কখনো ভুলবে না।
সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সাবিতা সরকার।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস, ডুমুরিয়া থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কালাম হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মো. জিল্লুর রহমান রিগান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. দারুল হুদা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহসিনা ফেরদৌসী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাঁসি রাণী, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. হামিদুর রহমান, মনোজ কান্তি রায়, নির্বাচন কর্মকর্তা মনোরঞ্জন, বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. বাইজিদ আব্দুল্লাহ, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা।
এছাড়াও বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকা, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, ছাত্র প্রতিনিধি মাসুদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সরোয়ার হোসেন, শেখ ফহরাদ হোসেন, চেয়ারম্যান গাজী হুমায়ূন কবির, রফিকুল ইসলাম হেলাল, সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জি. এম. আমানুল্লাহ, ডুমুরিয়া মহিলা স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আবুল হালিম, নিসার উপজেলা সভাপতি খান মহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পরাজয় নিশ্চিত জেনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পরিকল্পিতভাবে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, শিল্পীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের বাড়ি থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।
তারা আরও বলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড মানব ইতিহাসের এক জঘন্যতম গণহত্যা, যা জাতি কখনো ভুলবে না।
সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন