নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়। ১৯০৮ সালের পুরনো নিবন্ধন আইনকে যুগোপযোগী করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে।
অধ্যাদেশের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ই-রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল নিবন্ধনের বিধান। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনলাইনে দলিল উপস্থাপন, গ্রহণ এবং নিবন্ধনসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ বিষয়ে সরকার দ্রুতই প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে।
সংশোধনীতে নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে:
ভুল ফি বা কম কর আদায় করলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার বেতন বা পাওনা থেকে সেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে।
কোনো দলিল অনিয়মিত ফি বা করের মাধ্যমে নিবন্ধিত হলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।
নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল জমা পড়লে তা ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে নিষ্পত্তি করতে হবে।
দলিল নিবন্ধনের আওতা বাড়িয়ে এখানে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী ‘হেবা ঘোষণা’ এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে ‘দানের ঘোষণা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে ‘বিক্রেতা’ শব্দের পাশাপাশি ‘দাতার’ শব্দটিও যুক্ত করা হয়েছে।
এই সংস্কারের ফলে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬
গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়। ১৯০৮ সালের পুরনো নিবন্ধন আইনকে যুগোপযোগী করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে।
অধ্যাদেশের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ই-রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল নিবন্ধনের বিধান। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনলাইনে দলিল উপস্থাপন, গ্রহণ এবং নিবন্ধনসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ বিষয়ে সরকার দ্রুতই প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে।
সংশোধনীতে নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে:
ভুল ফি বা কম কর আদায় করলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার বেতন বা পাওনা থেকে সেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে।
কোনো দলিল অনিয়মিত ফি বা করের মাধ্যমে নিবন্ধিত হলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।
নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল জমা পড়লে তা ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে নিষ্পত্তি করতে হবে।
দলিল নিবন্ধনের আওতা বাড়িয়ে এখানে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী ‘হেবা ঘোষণা’ এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে ‘দানের ঘোষণা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে ‘বিক্রেতা’ শব্দের পাশাপাশি ‘দাতার’ শব্দটিও যুক্ত করা হয়েছে।
এই সংস্কারের ফলে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন