নজর বিডি
প্রকাশ : শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা বেড়ে ৬০ দিন, ই-রেজিস্ট্রেশন চালুর অধ্যাদেশ জারি

দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা বেড়ে ৬০ দিন, ই-রেজিস্ট্রেশন চালুর অধ্যাদেশ জারি

নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬

জমির নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়। ১৯০৮ সালের পুরনো নিবন্ধন আইনকে যুগোপযোগী করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে।

অধ্যাদেশের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ই-রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল নিবন্ধনের বিধান। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনলাইনে দলিল উপস্থাপন, গ্রহণ এবং নিবন্ধনসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ বিষয়ে সরকার দ্রুতই প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে।

সংশোধনীতে নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে:

ভুল ফি বা কম কর আদায় করলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার বেতন বা পাওনা থেকে সেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে।

কোনো দলিল অনিয়মিত ফি বা করের মাধ্যমে নিবন্ধিত হলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।

নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল জমা পড়লে তা ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে নিষ্পত্তি করতে হবে।

দলিল নিবন্ধনের আওতা বাড়িয়ে এখানে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী ‘হেবা ঘোষণা’ এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে ‘দানের ঘোষণা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে ‘বিক্রেতা’ শব্দের পাশাপাশি ‘দাতার’ শব্দটিও যুক্ত করা হয়েছে।

এই সংস্কারের ফলে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা বেড়ে ৬০ দিন, ই-রেজিস্ট্রেশন চালুর অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নজরবিডি, ৩ জানুয়ারি ২০২৬

জমির নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই অধ্যাদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়। ১৯০৮ সালের পুরনো নিবন্ধন আইনকে যুগোপযোগী করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে।

অধ্যাদেশের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো ই-রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল নিবন্ধনের বিধান। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে অনলাইনে দলিল উপস্থাপন, গ্রহণ এবং নিবন্ধনসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এ বিষয়ে সরকার দ্রুতই প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে।

সংশোধনীতে নিবন্ধন কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর বিধান রাখা হয়েছে:

ভুল ফি বা কম কর আদায় করলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার বেতন বা পাওনা থেকে সেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে।

কোনো দলিল অনিয়মিত ফি বা করের মাধ্যমে নিবন্ধিত হলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।

নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল জমা পড়লে তা ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে নিষ্পত্তি করতে হবে।

দলিল নিবন্ধনের আওতা বাড়িয়ে এখানে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী ‘হেবা ঘোষণা’ এবং হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে ‘দানের ঘোষণা’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে ‘বিক্রেতা’ শব্দের পাশাপাশি ‘দাতার’ শব্দটিও যুক্ত করা হয়েছে।

এই সংস্কারের ফলে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত