নজরবিডি, ৫ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তার বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করতে হবে। এজন্য সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে তথ্য নিশ্চিত হওয়ার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, যা আদালত অবমাননার শামিল।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে— জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় দুইজন বিচারপতি ছুটিতে গেছেন। এই সংবাদকে 'সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক' হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বলা হয়:
আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়েছেন।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বিচারপতিদের এই ছুটির সাথে গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের কোনো সম্পর্ক নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি অফিস থেকে তথ্য যাচাই করলে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতো বলে মনে করে প্রশাসন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
নজরবিডি, ৫ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর বার্তা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তার বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা যাচাই করতে হবে। এজন্য সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে তথ্য নিশ্চিত হওয়ার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যথাযথ যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, যা আদালত অবমাননার শামিল।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয় যে— জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ এবং বেঞ্চ প্রদান না করায় দুইজন বিচারপতি ছুটিতে গেছেন। এই সংবাদকে 'সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও দুঃখজনক' হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে বলা হয়:
আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম তার মায়ের অসুস্থতার কারণে ছুটি নিয়েছেন।
হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ অসুস্থজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
বিচারপতিদের এই ছুটির সাথে গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের কোনো সম্পর্ক নেই বলে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি অফিস থেকে তথ্য যাচাই করলে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতো বলে মনে করে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন