ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কনকনে শীত উপেক্ষা করে যখন অনেকেই নিজের উষ্ণতার চিন্তায় ব্যস্ত, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে আশ্রয়হীন বিড়ালদের জন্য উষ্ণ ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শিক্ষার্থী সাদিক কায়েম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের [হলের নাম চাইলে যোগ করা যাবে] হলে বসবাসরত সাদিক কায়েম দীর্ঘদিন ধরেই ক্যাম্পাসের অবহেলিত বিড়ালদের যত্ন নিয়ে আসছেন। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিড়ালদের জন্য উষ্ণ কাপড়, পুরোনো কম্বল ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন। হলের আশপাশে থাকা কয়েকটি বিড়ালকে নিয়মিত খাবার দেওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ বিড়ালদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করছেন তিনি।
সাদিক কায়েম জানান, “মানুষ হিসেবে শুধু মানুষের প্রতি নয়, সব জীবের প্রতিই আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এই বিড়ালগুলো আমাদের ক্যাম্পাসেই থাকে, শীতে ওরাও কষ্ট পায়। সামান্য যত্নে যদি ওদের একটু স্বস্তি দেওয়া যায়, সেটাই আমার প্রাপ্তি।”
তার এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে হলের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী এগিয়ে এসেছেন। কেউ খাবার দিচ্ছেন, কেউ পুরোনো কাপড় ও কম্বল দান করছেন। এতে ধীরে ধীরে হল এলাকায় প্রাণীকল্যাণ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, সাদিক কায়েমের এই মানবিক উদ্যোগ শুধু প্রাণীদের প্রতি মমত্ববোধই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধের একটি সুন্দর উদাহরণ।
ক্যাম্পাসজুড়ে যখন সহনশীলতা ও মানবিকতার চর্চা প্রয়োজন, তখন সাদিক কায়েমের মতো উদ্যোগ প্রমাণ করে—ভালোবাসা কখনো বড় আয়োজন চায় না, চায় শুধু আন্তরিকতা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কনকনে শীত উপেক্ষা করে যখন অনেকেই নিজের উষ্ণতার চিন্তায় ব্যস্ত, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে আশ্রয়হীন বিড়ালদের জন্য উষ্ণ ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন শিক্ষার্থী সাদিক কায়েম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের [হলের নাম চাইলে যোগ করা যাবে] হলে বসবাসরত সাদিক কায়েম দীর্ঘদিন ধরেই ক্যাম্পাসের অবহেলিত বিড়ালদের যত্ন নিয়ে আসছেন। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিড়ালদের জন্য উষ্ণ কাপড়, পুরোনো কম্বল ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন। হলের আশপাশে থাকা কয়েকটি বিড়ালকে নিয়মিত খাবার দেওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ বিড়ালদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করছেন তিনি।
সাদিক কায়েম জানান, “মানুষ হিসেবে শুধু মানুষের প্রতি নয়, সব জীবের প্রতিই আমাদের দায়বদ্ধতা আছে। এই বিড়ালগুলো আমাদের ক্যাম্পাসেই থাকে, শীতে ওরাও কষ্ট পায়। সামান্য যত্নে যদি ওদের একটু স্বস্তি দেওয়া যায়, সেটাই আমার প্রাপ্তি।”
তার এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে হলের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী এগিয়ে এসেছেন। কেউ খাবার দিচ্ছেন, কেউ পুরোনো কাপড় ও কম্বল দান করছেন। এতে ধীরে ধীরে হল এলাকায় প্রাণীকল্যাণ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, সাদিক কায়েমের এই মানবিক উদ্যোগ শুধু প্রাণীদের প্রতি মমত্ববোধই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ববোধের একটি সুন্দর উদাহরণ।
ক্যাম্পাসজুড়ে যখন সহনশীলতা ও মানবিকতার চর্চা প্রয়োজন, তখন সাদিক কায়েমের মতো উদ্যোগ প্রমাণ করে—ভালোবাসা কখনো বড় আয়োজন চায় না, চায় শুধু আন্তরিকতা।

আপনার মতামত লিখুন