গাংনীতে শহরকেন্দ্রিক গণভোটের প্রচার: অন্ধকারে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অন্ধকারে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষস্টাফ রিপোর্টার-নাহিদ হোসেন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে যাচ্ছে গণভোট। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে প্রচারণা শুরু হলেও তা মূলত শহরকেন্দ্রিক রয়ে গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দারা।
গ্রামাঞ্চলের চিত্র উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে গণভোট সম্পর্কে তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণা চোখে পড়ছে না। ১১ ডিসেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় গাংনী উপজেলা শহরে প্রচারণার আমেজ দেখা গেলেও গ্রাম পর্যায়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর এক বিশাল অংশ এখনো জানে না 'গণভোট' আসলে কী এবং কেন এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
স্থানীয় দিনমজুর ও ছোট ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা নিয়মিত সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে জানলেও গণভোট নিয়ে তাঁদের কোনো ধারণা নেই।
মো. আলাউদ্দিন (দিনমজুর): গণভোট আবার কী? আজই প্রথম শুনলাম। কেউ বুঝিয়ে দিলে হয়তো বুঝতে পারব।
ইউনুস আলী: শুনছি হ্যাঁ বা না ভোট হবে। কিন্তু বিষয় কী, বুঝি না। সবাই শুধু এমপি ভোটের কথাই বলছে।
মো. সেন্টু আলী (সবজি ব্যবসায়ী): মেম্বার, চেয়ারম্যান আর এমপি ভোট বুঝি, কিন্তু গণভোট বুঝি না। গ্রামে তো কোনো প্রচার দেখিনি।
এ বিষয়ে জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জেলা তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গ্রামীণ হাটবাজার ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই কার্যক্রম কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গণভোটের বিষয়টি গ্রামাঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য, সাধারণ মানুষ মনে করছেন, সঠিক সময়ে গ্রামাঞ্চলে প্রচারণা জোরদার করা না হলে একটি বড় অংশের ভোটার গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হতে পারেন।
গাংনীতে শহরকেন্দ্রিক গণভোটের প্রচার: অন্ধকারে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অন্ধকারে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষস্টাফ রিপোর্টার-নাহিদ হোসেন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই দিনে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে যাচ্ছে গণভোট। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে প্রচারণা শুরু হলেও তা মূলত শহরকেন্দ্রিক রয়ে গেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দারা।
গ্রামাঞ্চলের চিত্র উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে গণভোট সম্পর্কে তেমন কোনো প্রচার-প্রচারণা চোখে পড়ছে না। ১১ ডিসেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় গাংনী উপজেলা শহরে প্রচারণার আমেজ দেখা গেলেও গ্রাম পর্যায়ে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর এক বিশাল অংশ এখনো জানে না 'গণভোট' আসলে কী এবং কেন এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
স্থানীয় দিনমজুর ও ছোট ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা নিয়মিত সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে জানলেও গণভোট নিয়ে তাঁদের কোনো ধারণা নেই।
মো. আলাউদ্দিন (দিনমজুর): গণভোট আবার কী? আজই প্রথম শুনলাম। কেউ বুঝিয়ে দিলে হয়তো বুঝতে পারব।
ইউনুস আলী: শুনছি হ্যাঁ বা না ভোট হবে। কিন্তু বিষয় কী, বুঝি না। সবাই শুধু এমপি ভোটের কথাই বলছে।
মো. সেন্টু আলী (সবজি ব্যবসায়ী): মেম্বার, চেয়ারম্যান আর এমপি ভোট বুঝি, কিন্তু গণভোট বুঝি না। গ্রামে তো কোনো প্রচার দেখিনি।
এ বিষয়ে জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, জেলা তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গ্রামীণ হাটবাজার ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই কার্যক্রম কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গণভোটের বিষয়টি গ্রামাঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য, সাধারণ মানুষ মনে করছেন, সঠিক সময়ে গ্রামাঞ্চলে প্রচারণা জোরদার করা না হলে একটি বড় অংশের ভোটার গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে ব্যর্থ হতে পারেন।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন