নগরীর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজধানীর গোলাপবাগে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত ‘ওয়াশ স্থাপনা’ (WASH Facility) চালু করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মাহমুদুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্থাপনাটির উদ্বোধন ও হস্তান্তর করেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ, সুইডেন দূতাবাস এবং সাজিদা ফাউন্ডেশনের যৌথ অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় এই স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই স্থাপনাটি মূলত নগরীর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা ও বিশ্রামের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীকে পরিষ্কার রাখার পেছনের কারিগর হলেন এই পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। তাদের উন্নত স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা ডিএসসিসির অন্যতম অগ্রাধিকার। এই ওয়াশ স্থাপনাটি তাদের দৈনন্দিন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং কাজের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার। ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা।
এই উদ্যোগটি নগরীর সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য একটি মানবিক ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
নগরীর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজধানীর গোলাপবাগে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত ‘ওয়াশ স্থাপনা’ (WASH Facility) চালু করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মাহমুদুল হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্থাপনাটির উদ্বোধন ও হস্তান্তর করেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ, সুইডেন দূতাবাস এবং সাজিদা ফাউন্ডেশনের যৌথ অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় এই স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই স্থাপনাটি মূলত নগরীর পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা ও বিশ্রামের কথা মাথায় রেখে তৈরি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীকে পরিষ্কার রাখার পেছনের কারিগর হলেন এই পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। তাদের উন্নত স্বাস্থ্য ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা ডিএসসিসির অন্যতম অগ্রাধিকার। এই ওয়াশ স্থাপনাটি তাদের দৈনন্দিন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং কাজের মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম। প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার। ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা।
এই উদ্যোগটি নগরীর সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য একটি মানবিক ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন