সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার তিনটি প্রধান পাম্প— মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন ও মা ফিলিং স্টেশনে বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় হঠাৎ করেই পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার মালিকরা। উপজেলার প্রায় সব ফিলিং স্টেশন থেকেই জ্বালানি উধাও হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন যাতায়াতে সৃষ্টি হয়েছে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। উপজেলার মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন ও মা ফিলিং স্টেশন—এই তিনটি প্রধান পাম্পেই বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও কোথাও অল্প পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের দিকে কিছু পাম্পে মাত্র ২০০ টাকার তেল দিয়ে সরবরাহ বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের খুচরা দোকানগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হলেও এখন সেখানে তীব্র সংকট বিরাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে তেল বিক্রি করছে এবং প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম আদায় করছে। এই পরিস্থিতিতে চাকরিজীবী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। যেখানে প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচল করতো, সেখানে এখন রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সাধারণ মানুষের কাছে পেট্রোল ও অকটেন এখন ‘সোনার হরিণ’-এর মতো দুর্লভ হয়ে উঠেছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির নিয়মিত ফিলিং স্টেশনগুলো পরিদর্শন করছেন। পাশাপাশি হাট-বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে তেল মজুদের অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক অস্থিরতা—বিশেষ করে ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের চলমান উত্তেজনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তারা তেল মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় দ্রুত সংকট নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার তিনটি প্রধান পাম্প— মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন ও মা ফিলিং স্টেশনে বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।
পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় হঠাৎ করেই পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার মালিকরা। উপজেলার প্রায় সব ফিলিং স্টেশন থেকেই জ্বালানি উধাও হয়ে যাওয়ায় দৈনন্দিন যাতায়াতে সৃষ্টি হয়েছে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা। উপজেলার মুকসুদপুর ফিলিং স্টেশন, নিশাতলা ফিলিং স্টেশন ও মা ফিলিং স্টেশন—এই তিনটি প্রধান পাম্পেই বর্তমানে পেট্রোল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও কোথাও অল্প পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাতের দিকে কিছু পাম্পে মাত্র ২০০ টাকার তেল দিয়ে সরবরাহ বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারের খুচরা দোকানগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি হলেও এখন সেখানে তীব্র সংকট বিরাজ করছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে তেল বিক্রি করছে এবং প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম আদায় করছে। এই পরিস্থিতিতে চাকরিজীবী, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীরা তাদের যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। যেখানে প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চলাচল করতো, সেখানে এখন রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সাধারণ মানুষের কাছে পেট্রোল ও অকটেন এখন ‘সোনার হরিণ’-এর মতো দুর্লভ হয়ে উঠেছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবির নিয়মিত ফিলিং স্টেশনগুলো পরিদর্শন করছেন। পাশাপাশি হাট-বাজারে অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে তেল মজুদের অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক অস্থিরতা—বিশেষ করে ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের চলমান উত্তেজনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তারা তেল মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ অবস্থায় দ্রুত সংকট নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।
আপনার মতামত লিখুন