মাত্র ৫ টাকা না পেয়ে একজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে মো. কাজল নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১১ এর বিচারক মো. নূরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত জুলহাস মিয়া দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ওই এলাকার একটি বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সময় ঘাতক কাজল ভিকটিমের কাছে ৫ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে কাজল তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির উপরে সজোরে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. সাইফুল বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারের পর আসামি কাজল আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। ২০১৮ সালের ৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. সুজানুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালীন মোট ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২০১৮ সাল থেকেই জেলহাজতে রয়েছেন। আজ রায় ঘোষণার সময় তাকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয় এবং পরে সাজা পরোয়ানাসহ পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
মাত্র ৫ টাকা না পেয়ে একজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে মো. কাজল নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-১১ এর বিচারক মো. নূরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত জুলহাস মিয়া দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ওই এলাকার একটি বাসায় কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সময় ঘাতক কাজল ভিকটিমের কাছে ৫ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে কাজল তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির উপরে সজোরে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে মো. সাইফুল বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারের পর আসামি কাজল আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। ২০১৮ সালের ৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. সুজানুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালীন মোট ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।
সাজাপ্রাপ্ত আসামি ২০১৮ সাল থেকেই জেলহাজতে রয়েছেন। আজ রায় ঘোষণার সময় তাকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয় এবং পরে সাজা পরোয়ানাসহ পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন