নজর বিডি
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ড: ২২ জনকে আসামি করে সিআইডির চার্জশিট

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ড: ২২ জনকে আসামি করে সিআইডির চার্জশিট

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 


রাজধানী

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এই প্রতিবেদন জমা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাতটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন আনোয়ারুল হক চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্বাধিকারী। মো. রমজানুল হক নিহাদ আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী। মো. সোহেল সিরাজ কাচ্চি ভাই, খানাজ এবং তাওয়াজ রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী।  ইকবাল হোসেন কাউসার চায়ের চুমুক কফিশপের স্পেস মালিক। এছাড়াও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিক ও ম্যানেজারসহ মোট ২২ জন।

তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেও মৃত্যুবরণ করায় ভবনটির স্পেস মালিক এ কে নাসিম হায়দার ও ক্যাপ্টেন সরদার মো. মিজানুর রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় আনোয়ার হোসেন সুমন এবং শফিকুর রহমান রিমনের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।

সিআইডির ভাষ্যমতে, আসামিরা সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহারের ফলে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যাতে ৪৬ জন প্রাণ হারান।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন নিহত এবং ১১ জন গুরুতর আহত হন। ভবনটি থেকে ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় অবহেলা ও নিয়মনীতি ভঙ্গের অভিযোগে ১ মার্চ রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিল।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ড: ২২ জনকে আসামি করে সিআইডির চার্জশিট

প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। 


রাজধানী

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এই প্রতিবেদন জমা দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাতটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন আনোয়ারুল হক চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্বাধিকারী। মো. রমজানুল হক নিহাদ আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী। মো. সোহেল সিরাজ কাচ্চি ভাই, খানাজ এবং তাওয়াজ রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী।  ইকবাল হোসেন কাউসার চায়ের চুমুক কফিশপের স্পেস মালিক। এছাড়াও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিক ও ম্যানেজারসহ মোট ২২ জন।

তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলেও মৃত্যুবরণ করায় ভবনটির স্পেস মালিক এ কে নাসিম হায়দার ও ক্যাপ্টেন সরদার মো. মিজানুর রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় আনোয়ার হোসেন সুমন এবং শফিকুর রহমান রিমনের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে।

সিআইডির ভাষ্যমতে, আসামিরা সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহারের ফলে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে, যাতে ৪৬ জন প্রাণ হারান।

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন নিহত এবং ১১ জন গুরুতর আহত হন। ভবনটি থেকে ৭৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনায় অবহেলা ও নিয়মনীতি ভঙ্গের অভিযোগে ১ মার্চ রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিল।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত