গ্রামীণ এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল থেকেই নদীর দুই তীরে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে, যা পুরো এলাকাকে উৎসবের নগরীতে পরিণত করে।
বাংলাদেশ ইয়ুথ ফাস্ট কনসান্সের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪ নং পাল্টাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম, বীরগঞ্জ থানার ডিএসবি ডিআইও মো. হায়দার আলী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ বীরগঞ্জ এরিয়া ম্যানেজার রবার্ট কমল সরকার।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের নৌকার মনোমুগ্ধকর কসরত ও মাঝিদের ছন্দময় বৈঠা চালানো দর্শকদের মুগ্ধ করে। দর্শকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি সুমা খাতুন বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তিনি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনে সম্পৃক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের বড় আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, আধুনিক বিনোদনের যুগেও নৌকা বাইচের আবেদন এখনও অটুট, যা দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়েই প্রমাণিত।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
গ্রামীণ এই আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সকাল থেকেই নদীর দুই তীরে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে, যা পুরো এলাকাকে উৎসবের নগরীতে পরিণত করে।
বাংলাদেশ ইয়ুথ ফাস্ট কনসান্সের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমা খাতুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪ নং পাল্টাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলাম, বীরগঞ্জ থানার ডিএসবি ডিআইও মো. হায়দার আলী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ বীরগঞ্জ এরিয়া ম্যানেজার রবার্ট কমল সরকার।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের নৌকার মনোমুগ্ধকর কসরত ও মাঝিদের ছন্দময় বৈঠা চালানো দর্শকদের মুগ্ধ করে। দর্শকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি সুমা খাতুন বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় তিনি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং তরুণদের সুস্থ বিনোদনে সম্পৃক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের বড় আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, আধুনিক বিনোদনের যুগেও নৌকা বাইচের আবেদন এখনও অটুট, যা দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়েই প্রমাণিত।

আপনার মতামত লিখুন