ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
এই সংঘর্ষের জেরে বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা ও নতুন রোগী ভর্তি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত এবং গেটের বাইরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।
ঢাবির অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের পাঁচজন সহপাঠিকে একটি রুমে আটকে রেখে মারধর করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে, জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের দাবি, শিক্ষার্থীরাও তাদের ওপর চড়াও হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক এতে আহত হয়েছেন।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
এই সংঘর্ষের জেরে বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা ও নতুন রোগী ভর্তি কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে, অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত এবং গেটের বাইরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন।
ঢাবির অমর একুশে হলের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের পাঁচজন সহপাঠিকে একটি রুমে আটকে রেখে মারধর করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে, জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের দাবি, শিক্ষার্থীরাও তাদের ওপর চড়াও হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন ইন্টার্ন চিকিৎসক এতে আহত হয়েছেন।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন