সারা দেশে চালু হচ্ছে সরকারি ফার্মেসি, কম দামে মিলবে মানসম্পন্ন ওষুধ
জনসাধারণের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং মানসম্পন্ন ওষুধ সহজলভ্য করতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে চালু হচ্ছে সরকারি ফার্মেসি। এ উদ্যোগের আওতায় ২৫০ প্রকার বহুল ব্যবহৃত ওষুধ পাওয়া যাবে বাজারমূল্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দামে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সরকারি ফার্মেসির মাধ্যমে গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষ চিকিৎসা সেবায় বড় পরিমাণে উপকৃত হবেন। তিনি বলেন, “এই ২৫০ প্রকার ওষুধ দিয়েই প্রায় ৮৫ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।”
ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় চুরি ঠেকানোর পরিকল্পনা
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি ফার্মেসিগুলো সরকারি হাসপাতালগুলোর চত্বরে স্থাপন করা হবে। বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে ওষুধ চুরির ঝুঁকি। এ জন্য পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে সঠিক হিসাব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
চিকিৎসায় ওষুধ খরচ বেশি
বাংলাদেশে একজন রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ের গড়ে ৬৪ শতাংশই ব্যয় হয় ওষুধে। ফলে অনেক মানুষ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে বা দরিদ্র হয়ে যায়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে ওষুধ সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী হয়।
সরকারি বাজেট ও উৎপাদন বাড়ছে
ডা. সায়েদুর রহমান আরও জানান, বর্তমানে বছরে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে সরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান ইডিসিএল (Essential Drugs Company Limited)। নতুন এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সেই বাজেট আরও বাড়ানো হবে এবং সরকারের ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতাও বাড়ানো হবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের চিকিৎসা খাতে একটি বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সারা দেশে চালু হচ্ছে সরকারি ফার্মেসি, কম দামে মিলবে মানসম্পন্ন ওষুধ
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৫
জনসাধারণের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং মানসম্পন্ন ওষুধ সহজলভ্য করতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে চালু হচ্ছে সরকারি ফার্মেসি। এ উদ্যোগের আওতায় ২৫০ প্রকার বহুল ব্যবহৃত ওষুধ পাওয়া যাবে বাজারমূল্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দামে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, সরকারি ফার্মেসির মাধ্যমে গরিব ও নিম্নআয়ের মানুষ চিকিৎসা সেবায় বড় পরিমাণে উপকৃত হবেন। তিনি বলেন, “এই ২৫০ প্রকার ওষুধ দিয়েই প্রায় ৮৫ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।”
ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় চুরি ঠেকানোর পরিকল্পনা
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি ফার্মেসিগুলো সরকারি হাসপাতালগুলোর চত্বরে স্থাপন করা হবে। বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে ওষুধ চুরির ঝুঁকি। এ জন্য পুরো ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে সঠিক হিসাব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
চিকিৎসায় ওষুধ খরচ বেশি
বাংলাদেশে একজন রোগীর চিকিৎসা ব্যয়ের গড়ে ৬৪ শতাংশই ব্যয় হয় ওষুধে। ফলে অনেক মানুষ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে বা দরিদ্র হয়ে যায়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে ওষুধ সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী হয়।
সরকারি বাজেট ও উৎপাদন বাড়ছে
ডা. সায়েদুর রহমান আরও জানান, বর্তমানে বছরে প্রায় ১,৩০০ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয় করে সরকারি ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান ইডিসিএল (Essential Drugs Company Limited)। নতুন এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সেই বাজেট আরও বাড়ানো হবে এবং সরকারের ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতাও বাড়ানো হবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের চিকিৎসা খাতে একটি বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন