গাজীপুরের টঙ্গীতে জাভান হোটেলে প্রবেশকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পর পালানোর সময় ট্রাকের ধাক্কায় সবুজ ওরফে ‘ভাদাইম্মা সবুজ’ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন জাভান হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে জাভান হোটেলের গেটে মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। জানা যায়, হোটেল বন্ধ হওয়ার পর উত্তরার সোহেল, রুম্মান ও সানি নামে তিন ব্যক্তি জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির সৃষ্টি হয়। হোটেল মালিক সায়মন খান জানান, বন্ধ থাকায় তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত সানি উত্তরার একটি কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। ইতিপূর্বে একটি ছাত্র হত্যা মামলায় র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। এছাড়া সোহেলের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রাথমিক ঘটনার পর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সোহেল, রুম্মান ও সানি পরিকল্পিতভাবে ১০-১৫ জনকে নিয়ে পুনরায় হোটেলের সামনে আসেন। তারা সেখানে ‘ককটেল সদৃশ’ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের ওপর হামলা চালান।
হামলার পর পালানোর সময় অভিযুক্তদের একজন, সবুজ ওরফে ‘ভাদাইম্মা সবুজ’ রাস্তা পার হতে গিয়ে একটি চলন্ত ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশি করে কোনো ককটেলের আলামত পায়নি। টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের ধরন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে জাভান হোটেলে প্রবেশকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং ‘ককটেল সদৃশ’ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলার পর পালানোর সময় ট্রাকের ধাক্কায় সবুজ ওরফে ‘ভাদাইম্মা সবুজ’ নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোরে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন জাভান হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে জাভান হোটেলের গেটে মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। জানা যায়, হোটেল বন্ধ হওয়ার পর উত্তরার সোহেল, রুম্মান ও সানি নামে তিন ব্যক্তি জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির সৃষ্টি হয়। হোটেল মালিক সায়মন খান জানান, বন্ধ থাকায় তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত সানি উত্তরার একটি কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। ইতিপূর্বে একটি ছাত্র হত্যা মামলায় র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। এছাড়া সোহেলের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রাথমিক ঘটনার পর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সোহেল, রুম্মান ও সানি পরিকল্পিতভাবে ১০-১৫ জনকে নিয়ে পুনরায় হোটেলের সামনে আসেন। তারা সেখানে ‘ককটেল সদৃশ’ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন এবং হোটেল কর্তৃপক্ষের ওপর হামলা চালান।
হামলার পর পালানোর সময় অভিযুক্তদের একজন, সবুজ ওরফে ‘ভাদাইম্মা সবুজ’ রাস্তা পার হতে গিয়ে একটি চলন্ত ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশি করে কোনো ককটেলের আলামত পায়নি। টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিস্ফোরণের ধরন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন