নির্ধারিত ওজনের চেয়ে কম হওয়ায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে বকনা গরু বিতরণ কার্যক্রম স্থাপিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে ফুলবাড়ী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত এই কার্যক্রম স্থগিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাহাক আলী।
জানা গেছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের জীবনমান উন্নয়নে বকনা গরু বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেড় বছর বয়সী ১০০ কেজি ওজনের গরু দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল গরু নিয়ে আসেন ৬০-৬৫ কেজি ওজনের।এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে গরু বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
জানা যায়, জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে এই প্রকল্পের দায়িত্ব পান। যা ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান থাকবে। সে কারণে এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের গরু সাপ্লাইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন ওই কোম্পানিটি।
১০০ কেজির জায়গায় ৬০-৫৬ কেজি গরু আনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীন দেশে এত বড় অন্যায় কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, তাই এই গরু কোনভাবেই বিতরণ করা যাবে না।
এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সারোয়ার হোসেন জানান, আমরা নির্দেশনা অনুযায়ী ১০০ কেজি ওজনের গরু না পাওয়ায় বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছি।
ঠিকাদারের পক্ষে সাপ্লাইয়ার ওমর ফারুক বলেন, আমাদেরকে যেভাবে ঠিকাদার গরু আনতে বলেছে আমরা সেভাবেই আনছি।
নির্ধারিত ওজনের চেয়ে কম হওয়ায় দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে বকনা গরু বিতরণ কার্যক্রম স্থাপিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে ফুলবাড়ী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত এই কার্যক্রম স্থগিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাহাক আলী।
জানা গেছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের জীবনমান উন্নয়নে বকনা গরু বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেড় বছর বয়সী ১০০ কেজি ওজনের গরু দেওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল গরু নিয়ে আসেন ৬০-৬৫ কেজি ওজনের।এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে গরু বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
জানা যায়, জেনটেক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে এই প্রকল্পের দায়িত্ব পান। যা ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান থাকবে। সে কারণে এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের গরু সাপ্লাইয়ের দায়িত্বে রয়েছেন ওই কোম্পানিটি।
১০০ কেজির জায়গায় ৬০-৫৬ কেজি গরু আনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, স্বাধীন দেশে এত বড় অন্যায় কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, তাই এই গরু কোনভাবেই বিতরণ করা যাবে না।
এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সারোয়ার হোসেন জানান, আমরা নির্দেশনা অনুযায়ী ১০০ কেজি ওজনের গরু না পাওয়ায় বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছি।
ঠিকাদারের পক্ষে সাপ্লাইয়ার ওমর ফারুক বলেন, আমাদেরকে যেভাবে ঠিকাদার গরু আনতে বলেছে আমরা সেভাবেই আনছি।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন