ক্রিকেট
গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে মিরপুর শেরেবাংলা একাডেমি ভবনে কয়েকজন ক্রিকেটার মিলে আলোচনায় বসেন। পরে তারা তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন। উপস্থিত ছিলেন বিসিবির দুই পরিচালক—ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন এবং আম্পায়ার্স ও মিডিয়া কমিটির প্রধান ইফতেখার রহমান।
[caption id="attachment_10591" align="alignnone" width="300"]
সংবাদ সম্মেলনে তামিম, ছবিঃ নজর[/caption]
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তামিম বলেন:
"তার যে শাস্তিটা ছিল, সেটা কিন্তু সে ভোগ করেছে। এখন দুটি ম্যাচ খেলার পর আবার শুনলাম, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এটা খুবই হাস্যকর!"
তামিম ইকবালের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, কেবল হৃদয়ের শাস্তি নিয়েই নয়, আরও দুটি বিষয় নিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে:
গুলশান–শাইনপুকুর ম্যাচে সন্দেহজনক আউট ও দুর্নীতি দমন বিভাগের তদন্ত পদ্ধতি
বোর্ডের দুর্নীতি দমন বিভাগ সংশ্লিষ্ট দুই ক্রিকেটারকে ডেকে এনে মাঠে “অভিনয়” করিয়েছিল, যা তামিমদের মতে অসম্মানজনক।
"বিশ্বের কোথাও এমন তদন্ত হয় না। এটা অপমানজনক।"
বিপিএলের সময় কিছু ক্রিকেটারের নাম স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত সন্দেহে প্রকাশ্যে ফাঁস করা
দোষ প্রমাণ হওয়ার আগেই নাম প্রকাশকে ‘অন্যায় ও অসম্মানজনক’ হিসেবে দেখছেন ক্রিকেটাররা।
আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন মোহামেডান অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়[/caption]
তাওহিদ হৃদয়ের এক শাস্তি ভোগ করার পর পুনরায় শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন তামিম:
"যাকে শাস্তি দিয়ে দুই ম্যাচ খেলতে দেওয়া হয়েছে, তাকে আবার শাস্তি দেয় কীভাবে? এটা কোন আইনে?"
[caption id="attachment_10593" align="alignnone" width="300"]আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার[/caption]

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৫
ক্রিকেট
গতকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে মিরপুর শেরেবাংলা একাডেমি ভবনে কয়েকজন ক্রিকেটার মিলে আলোচনায় বসেন। পরে তারা তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন। উপস্থিত ছিলেন বিসিবির দুই পরিচালক—ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমূল আবেদীন এবং আম্পায়ার্স ও মিডিয়া কমিটির প্রধান ইফতেখার রহমান।
[caption id="attachment_10591" align="alignnone" width="300"]
সংবাদ সম্মেলনে তামিম, ছবিঃ নজর[/caption]
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তামিম বলেন:
"তার যে শাস্তিটা ছিল, সেটা কিন্তু সে ভোগ করেছে। এখন দুটি ম্যাচ খেলার পর আবার শুনলাম, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এটা খুবই হাস্যকর!"
তামিম ইকবালের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, কেবল হৃদয়ের শাস্তি নিয়েই নয়, আরও দুটি বিষয় নিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে:
গুলশান–শাইনপুকুর ম্যাচে সন্দেহজনক আউট ও দুর্নীতি দমন বিভাগের তদন্ত পদ্ধতি
বোর্ডের দুর্নীতি দমন বিভাগ সংশ্লিষ্ট দুই ক্রিকেটারকে ডেকে এনে মাঠে “অভিনয়” করিয়েছিল, যা তামিমদের মতে অসম্মানজনক।
"বিশ্বের কোথাও এমন তদন্ত হয় না। এটা অপমানজনক।"
বিপিএলের সময় কিছু ক্রিকেটারের নাম স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত সন্দেহে প্রকাশ্যে ফাঁস করা
দোষ প্রমাণ হওয়ার আগেই নাম প্রকাশকে ‘অন্যায় ও অসম্মানজনক’ হিসেবে দেখছেন ক্রিকেটাররা।
আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছিলেন মোহামেডান অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়[/caption]
তাওহিদ হৃদয়ের এক শাস্তি ভোগ করার পর পুনরায় শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন তামিম:
"যাকে শাস্তি দিয়ে দুই ম্যাচ খেলতে দেওয়া হয়েছে, তাকে আবার শাস্তি দেয় কীভাবে? এটা কোন আইনে?"
[caption id="attachment_10593" align="alignnone" width="300"]আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার[/caption]

আপনার মতামত লিখুন