সরকারি ছুটির দিনে টানা দায়িত্ব পালনের কারণে প্রতিবছর এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ ভাতা চেয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এ দাবি তুলে ধরা হয়।
পুলিশের যুক্তি, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বছরে ১২৯ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করেন এবং নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার ডিউটি পালন করেন। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এসব ছুটির দিনে, এমনকি ঈদ, নববর্ষ, পহেলা মে ও অন্যান্য জাতীয় উৎসবে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয় তাদের।
পুলিশ কনস্টেবল সামিয়া স্বর্ণা বলেন, “আমরা পরিবার থেকে দূরে থেকে উৎসবের সময়ও জনসাধারণের নিরাপত্তায় কাজ করি। এই বাড়তি দায়-দায়িত্ব ও ত্যাগের জন্য এক মাসের অতিরিক্ত বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ ভাতা প্রাপ্য।”
এছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকে একটি স্বতন্ত্র পুলিশ কমিশন গঠনের দাবিও তোলা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তরের এএসপি মো. আল আসাদ অভিযোগ করেন, “পূর্ববর্তী সরকার পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছে, যা জনগণের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব সৃষ্টি করেছে। নিরপেক্ষ, পেশাদার এবং জনবান্ধব পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি স্বাধীন কমিশন অত্যাবশ্যক।”
এদিন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গেও পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয় পুলিশ কর্মকর্তারা। সেখানে পুলিশের পেশাগত মানোন্নয়নে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উঠে আসে:
বিবাহিতদের এএসপি পদে নিয়োগ না দেওয়া: পুলিশের ট্রেনিং একাডেমির ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান জানান, বিবাহিত প্রশিক্ষণার্থীরা পরিবার নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকায় গুণগত প্রশিক্ষণে ব্যাঘাত ঘটে। তাই অবিবাহিত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি।
ঝুঁকি ভাতা চালু: কনস্টেবল থেকে শুরু করে এসআই পর্যন্ত সদস্যদের জন্য ঝুঁকি ভাতার উচ্চসীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলেন উপদেষ্টা।
আবাসন ও প্রশিক্ষণ সুবিধা: পুলিশ সদস্যদের আবাসন সংকট নিরসন, নারী বান্ধব প্রশিক্ষণ সেন্টার ও টয়লেট, ট্রাফিক বক্স নির্মাণ, আধুনিক হাসপাতাল সরঞ্জামাদির প্রস্তাব দেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পুলিশ সদস্যদের পারস্পরিক সমন্বয়, ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বাহারুল আলম।
সরকারি ছুটির দিনে টানা দায়িত্ব পালনের কারণে প্রতিবছর এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ ভাতা চেয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে এ দাবি তুলে ধরা হয়।
পুলিশের যুক্তি, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বছরে ১২৯ দিন সরকারি ছুটি ভোগ করেন এবং নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার ডিউটি পালন করেন। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা এসব ছুটির দিনে, এমনকি ঈদ, নববর্ষ, পহেলা মে ও অন্যান্য জাতীয় উৎসবে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। গড়ে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয় তাদের।
পুলিশ কনস্টেবল সামিয়া স্বর্ণা বলেন, “আমরা পরিবার থেকে দূরে থেকে উৎসবের সময়ও জনসাধারণের নিরাপত্তায় কাজ করি। এই বাড়তি দায়-দায়িত্ব ও ত্যাগের জন্য এক মাসের অতিরিক্ত বেতনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ ভাতা প্রাপ্য।”
এছাড়া পুলিশের পক্ষ থেকে একটি স্বতন্ত্র পুলিশ কমিশন গঠনের দাবিও তোলা হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তরের এএসপি মো. আল আসাদ অভিযোগ করেন, “পূর্ববর্তী সরকার পুলিশকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছে, যা জনগণের সঙ্গে পুলিশের দূরত্ব সৃষ্টি করেছে। নিরপেক্ষ, পেশাদার এবং জনবান্ধব পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি স্বাধীন কমিশন অত্যাবশ্যক।”
এদিন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সঙ্গেও পৃথক মতবিনিময় সভায় অংশ নেয় পুলিশ কর্মকর্তারা। সেখানে পুলিশের পেশাগত মানোন্নয়নে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উঠে আসে:
বিবাহিতদের এএসপি পদে নিয়োগ না দেওয়া: পুলিশের ট্রেনিং একাডেমির ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান জানান, বিবাহিত প্রশিক্ষণার্থীরা পরিবার নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকায় গুণগত প্রশিক্ষণে ব্যাঘাত ঘটে। তাই অবিবাহিত প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি।
ঝুঁকি ভাতা চালু: কনস্টেবল থেকে শুরু করে এসআই পর্যন্ত সদস্যদের জন্য ঝুঁকি ভাতার উচ্চসীমা তুলে দিয়ে সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলেন উপদেষ্টা।
আবাসন ও প্রশিক্ষণ সুবিধা: পুলিশ সদস্যদের আবাসন সংকট নিরসন, নারী বান্ধব প্রশিক্ষণ সেন্টার ও টয়লেট, ট্রাফিক বক্স নির্মাণ, আধুনিক হাসপাতাল সরঞ্জামাদির প্রস্তাব দেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পুলিশ সদস্যদের পারস্পরিক সমন্বয়, ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. বাহারুল আলম।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন