সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে রাজনৈতিক সংস্কার, ন্যায়বিচার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে জামায়াতে ইসলামের সাম্প্রতিক অবস্থান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের হত্যার বিচার না করে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। একই সঙ্গে তিনি তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতের যেসব নেতাদের "বিচারিক হত্যা" করা হয়েছে, সেসব ঘটনার পুনর্বিচার দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে সম্পন্ন করে তবেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “এক ফ্যাসিবাদের জায়গায় যেন আরেকটি ফ্যাসিবাদ না আসে—এই বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দিন এবং গোপালগঞ্জ-২ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন সরদার।
সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন একাধিক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফরিদপুরের নেতা এহসানুল মাহবুব রুবেল, গোপালগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা আবদুল হামিদ, খুলনা মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ওসিউর রহমান মন্টু, মোকসেদপুরের আমির মাওলানা এমরান ইসলাম সরদার, কাশিয়ানির আমির মাসুদুর রহমান, কোটালিপাড়ার আমির গাজী সোলায়মান, টুঙ্গিপাড়ার আমির অধ্যাপক আবদুল ওহাব এবং স্থানীয় নেতা হাবিবুর রহমান।
এছাড়া শ্রমিক সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের গোপালগঞ্জ জেলা সভাপতি শমসের আলী মোল্লাও উপস্থিত ছিলেন। পুরো সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আল মাসুদ খান।
দলীয় ঐক্য ও সংগঠনের কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি রাজনৈতিক দাবি ও অবস্থানকে স্পষ্ট করার লক্ষ্যেই এ সম্মেলন আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। 
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৫
সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে রাজনৈতিক সংস্কার, ন্যায়বিচার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে জামায়াতে ইসলামের সাম্প্রতিক অবস্থান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ২৪ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের হত্যার বিচার না করে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। একই সঙ্গে তিনি তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াতের যেসব নেতাদের "বিচারিক হত্যা" করা হয়েছে, সেসব ঘটনার পুনর্বিচার দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে সম্পন্ন করে তবেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, “এক ফ্যাসিবাদের জায়গায় যেন আরেকটি ফ্যাসিবাদ না আসে—এই বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দিন এবং গোপালগঞ্জ-২ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন সরদার।
সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন একাধিক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ফরিদপুরের নেতা এহসানুল মাহবুব রুবেল, গোপালগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা আবদুল হামিদ, খুলনা মহানগর ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল ওসিউর রহমান মন্টু, মোকসেদপুরের আমির মাওলানা এমরান ইসলাম সরদার, কাশিয়ানির আমির মাসুদুর রহমান, কোটালিপাড়ার আমির গাজী সোলায়মান, টুঙ্গিপাড়ার আমির অধ্যাপক আবদুল ওহাব এবং স্থানীয় নেতা হাবিবুর রহমান।
এছাড়া শ্রমিক সংগঠন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের গোপালগঞ্জ জেলা সভাপতি শমসের আলী মোল্লাও উপস্থিত ছিলেন। পুরো সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন গোপালগঞ্জ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আল মাসুদ খান।
দলীয় ঐক্য ও সংগঠনের কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি রাজনৈতিক দাবি ও অবস্থানকে স্পষ্ট করার লক্ষ্যেই এ সম্মেলন আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। 
আপনার মতামত লিখুন