সারাদেশ | যশোর
জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাগত অধিকার আদায়ে তিন দফা দাবির ভিত্তিতে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষক সমাজ। খুলনা বিভাগীয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আজ ৩১ মে (শনিবার) যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী ঘোষণা দেন, আগামী ২২ জুন রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই মহাসমাবেশে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ২৩ জুন থেকে দেশব্যাপী শিক্ষকেরা আমরণ অনশন কর্মসূচিতে যাবেন।
দাবিগুলো কী কী?
শিক্ষক সমাজের এই তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:
১. টাইম স্কেল–সংক্রান্ত অবৈধ চিঠি প্রত্যাহার: ২০২০ সালের ১২ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে টাইম স্কেল সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা শিক্ষক নেতাদের মতে ছিল ‘অবৈধ ও বিভ্রান্তিকর’।
২.৫০% চাকরির সময় বিবেচনায় জ্যেষ্ঠতা প্রদান: শিক্ষকরা চাকরিতে যোগদানের তারিখ অনুযায়ী নয়, বরং কার্যকর চাকরি শুরুর তারিখের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা দাবির পক্ষে রয়েছেন।
৩. প্রধান শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ: অনেক শিক্ষক জাতীয়করণ প্রক্রিয়ায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হলেও গেজেটভুক্ত না হওয়ায় তাঁরা প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা আদালত থেকে আমাদের পক্ষে রায় পেয়েছি। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকার আপিল করে তা স্থগিত করেছে। বহুবার চিঠি, আবেদন, স্মারকলিপি দিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। আমাদের ধৈর্য্যের সীমা এখন শেষ। তাই ২২ জুনের মহাসমাবেশ হবে আমাদের চূড়ান্ত পদক্ষেপের সূচনা।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আন্দোলন করছি শিক্ষকদের সম্মান ও অধিকার আদায়ের জন্য। শিক্ষকদের ন্যায্য সম্মান না দিলে প্রাথমিক শিক্ষার মানও উন্নত হবে না।”
তিনি সবার উদ্দেশে বার্তা দেন, “ঢাকা শহীদ মিনারে মহাসমাবেশে অংশ নিতে আপনারা প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন। আন্দোলন সফল করতে সারাদেশ থেকে হাজার হাজার শিক্ষক একত্রিত হবেন।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা—সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ আজমল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ আলী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম এবং যশোর জেলা কমিটির সমন্বয়ক বি এম কিয়াম উদ্দীন।
সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম।
এই সমাবেশ ও ঘোষণা দেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বড় এক প্রতিবাদের আভাস দিচ্ছে। শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে এ আন্দোলন কতদূর গড়ায়, তা নির্ভর করবে সরকারের প্রতিক্রিয়ার ওপর।
সারাদেশ | যশোর
জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পেশাগত অধিকার আদায়ে তিন দফা দাবির ভিত্তিতে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষক সমাজ। খুলনা বিভাগীয় শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আজ ৩১ মে (শনিবার) যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী ঘোষণা দেন, আগামী ২২ জুন রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই মহাসমাবেশে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে ২৩ জুন থেকে দেশব্যাপী শিক্ষকেরা আমরণ অনশন কর্মসূচিতে যাবেন।
দাবিগুলো কী কী?
শিক্ষক সমাজের এই তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:
১. টাইম স্কেল–সংক্রান্ত অবৈধ চিঠি প্রত্যাহার: ২০২০ সালের ১২ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে টাইম স্কেল সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা শিক্ষক নেতাদের মতে ছিল ‘অবৈধ ও বিভ্রান্তিকর’।
২.৫০% চাকরির সময় বিবেচনায় জ্যেষ্ঠতা প্রদান: শিক্ষকরা চাকরিতে যোগদানের তারিখ অনুযায়ী নয়, বরং কার্যকর চাকরি শুরুর তারিখের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা দাবির পক্ষে রয়েছেন।
৩. প্রধান শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ: অনেক শিক্ষক জাতীয়করণ প্রক্রিয়ায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হলেও গেজেটভুক্ত না হওয়ায় তাঁরা প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা আদালত থেকে আমাদের পক্ষে রায় পেয়েছি। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকার আপিল করে তা স্থগিত করেছে। বহুবার চিঠি, আবেদন, স্মারকলিপি দিয়েও কোনো সুরাহা হয়নি। আমাদের ধৈর্য্যের সীমা এখন শেষ। তাই ২২ জুনের মহাসমাবেশ হবে আমাদের চূড়ান্ত পদক্ষেপের সূচনা।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আন্দোলন করছি শিক্ষকদের সম্মান ও অধিকার আদায়ের জন্য। শিক্ষকদের ন্যায্য সম্মান না দিলে প্রাথমিক শিক্ষার মানও উন্নত হবে না।”
তিনি সবার উদ্দেশে বার্তা দেন, “ঢাকা শহীদ মিনারে মহাসমাবেশে অংশ নিতে আপনারা প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন। আন্দোলন সফল করতে সারাদেশ থেকে হাজার হাজার শিক্ষক একত্রিত হবেন।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা—সাংগঠনিক সম্পাদক মোমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ আজমল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ আলী, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হামিদুল ইসলাম এবং যশোর জেলা কমিটির সমন্বয়ক বি এম কিয়াম উদ্দীন।
সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম।
এই সমাবেশ ও ঘোষণা দেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বড় এক প্রতিবাদের আভাস দিচ্ছে। শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে এ আন্দোলন কতদূর গড়ায়, তা নির্ভর করবে সরকারের প্রতিক্রিয়ার ওপর।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন