‘নগদ’-এর নিয়োগ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের খোঁজে দুদক
বাংলাদেশআজ রোববার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত নগদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা
নগদ-এর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস খাতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সুশাসন ও জবাবদিহি। এই অভিযোগ ঘিরে আজ রোববার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত নগদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের এই পদক্ষেপ শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয়, বরং এর সঙ্গে প্রশাসনের প্রভাবশালী মহলের জড়িত থাকার সম্ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত দিচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে, নিয়োগ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি–বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদ এবং তাঁর স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুইকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং নিয়ন্ত্রিত প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগ সামনে এসেছে। একইসঙ্গে, ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে এবং বিশ্লেষণ শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নগদের মতো একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে যদি এই ধরনের অনিয়ম হয়, তবে তা গোটা ফিনটেক খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণের পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘নগদ’-এর নিয়োগ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের খোঁজে দুদক
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৫
বাংলাদেশআজ রোববার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত নগদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।নিজস্ব প্রতিবেদকঢাকা
নগদ-এর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস খাতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে সুশাসন ও জবাবদিহি। এই অভিযোগ ঘিরে আজ রোববার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত নগদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের এই পদক্ষেপ শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয়, বরং এর সঙ্গে প্রশাসনের প্রভাবশালী মহলের জড়িত থাকার সম্ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত দিচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে, নিয়োগ অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি–বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আতিক মোর্শেদ এবং তাঁর স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা জুইকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং নিয়ন্ত্রিত প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগ সামনে এসেছে। একইসঙ্গে, ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের বিষয়ে প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে এবং বিশ্লেষণ শেষে বিস্তারিত প্রতিবেদন পেশ করা হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নগদের মতো একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে যদি এই ধরনের অনিয়ম হয়, তবে তা গোটা ফিনটেক খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণের পর দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন